আশাশুনিতে অবৈধভাবে মজুদ রাখা আনুমানিক ৮০০ লিটার পেট্রোল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া কালিবাড়ি বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে পেট্রোলিয়াম আইনে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও জব্দকৃত তেল সাধারণ চালকদের মাঝে বিক্রি করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, নাকতাড়া কালিবাড়ি বাজারের ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী মারুফা খাতুনের মুদি দোকানে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদ রাখা হয়েছে-এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালান হয়। বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. তাওহিদুল হাসানের নেতৃত্বে তল্লাশি চালিয়ে দোকানের পেছনে কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৪টি ড্রাম ভর্তি ৮০০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। ততক্ষণে হাফিজুর রহমান সটকে পড়েন। বিজ্ঞ আদালত অনুমোদনহীন স্থানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে অধিক মূল্যে বিক্রির দায়ে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী অভিযুক্তদের ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। উদ্ধারকৃত পেট্রোল তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় মোটরসাইকেল চালকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হয়। প্রতি ৫ লিটার ৬০০ টাকা দরে সাধারণ মানুষের হাতে তেল তুলে দেওয়া হয়। বিক্রয়কৃত সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ। জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান হয়।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান চোরাই পথে তেল সংগ্রহের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, "আমি প্রায় সাড়ে ৮০০ লিটার তেল কিনেছিলাম।" তবে তেলের উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।