বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার গিরিশনগর ইসলামপুর (দ্বীপ চর) এলাকার মাত্র ছয় মাস বয়সী শিশু নুসরাত আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়ছে। নিষ্পাপ এই শিশুটির শরীরে ধরা পড়েছে টিউমার, ক্যান্সারসহ মারাত্মক রক্তশূন্যতা-যা তার কোমল জীবনের জন্য হয়ে উঠেছে ভয়াবহ হুমকি। নুসরাতের মা লায়লা খাতুন একজন গৃহিণী এবং বাবা মোঃ মণির শিকদার পেশায় একজন জেলে। নদীতে মাছ ধরে কোনোমতে সংসার চালানো এই পরিবারটির পক্ষে শিশুটির ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিরুপায় হয়ে শিশুটির অসহায় মা ও নানী মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, তাদের চোখে শুধুই নুসরতের জীবন রক্ষার আকুতি। পরিবারটির সম্বল বলতে রয়েছে মাত্র ৫ শতাংশ জমির ওপর একটি ছোট বসতভিটা। নেই কোনো স্থায়ী আয় বা সঞ্চয়। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে চিকিৎসার খরচ জোগাড় করা তাদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নুসরাতকে দ্রুত ঢাকার কোনো বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করে উন্নত চিকিৎসা শুরু করা জরুরি। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সেই চিকিৎসা শুরু করাও সম্ভব হচ্ছে না। সময় যত গড়াচ্ছে, শিশুটির জীবন ততই ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এমন মানবিক সংকটে স্থানীয়রা সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, দানশীল সংগঠন এবং সরকারি সহায়তার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের বিশ্বাস-সবার সামান্য সহযোগিতাই পারে একটি নিষ্পাপ প্রাণকে নতুন জীবন দিতে। নুসরাতের পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে আকুল আবেদন-আপনাদের সামান্য সহানুভূতি ও আর্থিক সহায়তাই হতে পারে এই শিশুটির বেঁচে থাকার একমাত্র আশার আলো। সহায়তার জন্য যোগাযোগ: বিকাশ নম্বর: ০১৬২১-৫৯১৩৮৫ আসুন, মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে আমরা সবাই মিলে বাঁচিয়ে তুলি ছোট্ট নুসরাতের জীবন।