চাঁদপুরের প্রথম শহীদ, কালাম, খালেক, সুশীল, শংকর দিবস আজ ৩ এপ্রিল। ১৯৭১ সালে এই দিনে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য চাঁদপুরের কয়েকজন বীর সন্তান পরিকল্পনা করেন কিভাবে চাঁদপুরকে শত্রু মুক্ত করা যায়। পরিকল্পনা করেন বোমা বানানোর। শহরের নতুন বাজারের ট্রাক রোড এলাকায় পোদ্দার বাড়িতে একটি দোচালা টিনের ঘরে বোমা বানানো শুরু হয়। হঠাৎ একটি বোমা হাত থেকে খসে পড়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এতে মারা যান এ ৪ বীর সন্তান কালাম-খালেক-সুশীল-শংকর। এতে টিনের ঘরটি ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এ সময় বাইরে থাকায় তাদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন প্রাণে বেঁচে যান। চাঁদপুরের প্রথম শহীদ কালাম,খালেক,সুশীল সংকর দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলী ও নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন শহীদ কালাম, খালেক, সুশীল সংকর স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ, চাঁদপুর সভাপতি অ্যাড. মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ধে চাঁদপুরের প্রথম শহীদ কালাম খালেক সুশীল শংকর দিবস উপলক্ষে শহীদ স্মৃতিসৌধ চাঁদপুর ট্র্যাক রোডস্থ
মুক্তি সৌধে সকাল ৮.৩০টায় শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পন ও শহীদ স্মরণে আলোচনা সভা। উক্ত অনুষ্ঠানে যোগদানের নিমিত্তে ৩রা এপ্রিল ২০২৬ ইং শুক্রবার সকাল ৮ টায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় বাইতুল আমীন মসজিদের সামনে হকার্স মার্কেটের উল্টা দিকে জমায়েত হওয়ার জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ২৯ মার্চ চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে ৩ এপ্রিল মহান মুক্তিযুদ্ধে চাঁদপুরের প্রথম শহিদ কালাম-খালেক-সুশীল-শংকর দিবস পালনের লক্ষ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মুজিবর রহমানের সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল বাসারের পরিচালনায় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এ দিবস পালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অজিত সাহা,বীর মুক্তিযোদ্ধা বাসুদেব মজুমদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা সানাউল্লাহ খান,বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাজাহান তালুকদার, কালাম-খালেক-সুশীল-শংকর স্মৃতি সংসদের সভাপতি অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি চাঁদপুর জেলার সভাপতি মো. জাকির হোসেন মিয়াজি,উদীচী চাঁদপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদ জহির উদ্দিন বাবর পাটোয়ারী,উদীচীর সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জাফর আহমেদ,ডাক্তার মাসুদ,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ উপজেলা কমিটির সভাপতি অ্যাড. নাজমুল হোসেন। চাঁদপুরের প্রথম শহীদ কালাম-খালেক-সুশিল-শংকর দিবস ৩ এপ্রিল শুক্রবার পালনের লক্ষ্যে উদীচী অফিসে মুক্তিযুদ্ধা, সাংস্কৃতিক কর্মী, ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করা হয়েছে।