বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না পেয়ে এক কাঠা জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল হাকিম বাবু থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভান্ডারখোলা পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাকিম বাবুর কাছে একই এলাকার আব্দুর রহমান শেখ, তার ছেলে ও ভাতিজাসহ মোট ৯ জন দুই লাখ টাকা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অভিযুক্তরা জমি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার হুমকি দেন। এছাড়া তাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো এবং হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, ভান্ডারখোলা মৌজার খতিয়ান নং ১৮৮৬, দাগ নং ৩২৫৫-এর মোট ৭৬ শতাংশ জমির মধ্যে ১৪ শতাংশ জমি ১৯৮৮ সালে দলিলের মাধ্যমে হাবিবুর রহমানের কাছে বিক্রি করেন আব্দুর রহমান শেখ। পরবর্তীতে ওই জমি ১৯৯৯ সালে এস এম মফিজুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ২০০১ সালে আব্দুল হাকিম বাবু তা ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর থেকে তিনি জমিটি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। এদিকে, ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো জমি দখলের চেষ্টা করলে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যানের উদ্যোগে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়। সালিশে অভিযুক্তদের দোষ প্রমাণিত হলে তারা ভবিষ্যতে আর কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না মর্মে লিখিত অঙ্গীকার দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন পর পুনরায় গত প্রায় দুই মাস ধরে একইভাবে টাকা দাবি ও জমি দখলের চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রহমান শেখ বলেন, “থানায় অভিযোগ হয়েছে বলে শুনেছি। তবে টাকা দাবি বা জমি দখলের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।” মোল্লাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী রমজানুল হক বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”