আধুনিক ইউনিয়ন গড়তে চান রাফি

খানপুর ইউনিয়নে উন্নয়ন ও সুশাসনের প্রতিশ্রুতি

এফএনএস (সৌরভ অধিকারী শুভ; শেরপুর, বগুড়া) : | প্রকাশ: ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
খানপুর ইউনিয়নে উন্নয়ন ও সুশাসনের প্রতিশ্রুতি

আসন্ন ৪ নং খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তরুণ প্রার্থী রাফি আল আমিন দিয়েছেন উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক সেবার প্রতিশ্রুতি। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ৪ নং খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তরুণ সমাজকর্মী ও রাজনৈতিক সংগঠক রাফি আল আমিন। উন্নয়ন ও সুশাসনের মাধ্যমে একটি আধুনিক, মানবিক ও স্মার্ট ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলাই তার মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি। রাফি আল আমিনের জন্ম ১৯৯৪ সালের ৩ আগস্ট খানপুর ইউনিয়নের ছাতিয়ানী গ্রামে। তার পিতা মৃত আখের আলী প্রামানিক। তিনি ২০০৯ সালে খাগা দোলং ভিসিসি দাখিল মাদ্রাসা থেকে এসএসসি (দাখিল) এবং ২০১১ সালে শেরপুর শহীদিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে আলীম পাশ করেন। পরবর্তীতে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রাফি আল আমিন ২০০৭ সালে তার বড় ভাই আমিনুল ইসলামের হাত ধরে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন। বর্তমানে তিনি শেরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন তিনি। অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহায়তা প্রদান এবং ক্রীড়া ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ রয়েছে। স্থানীয়দের কাছে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবেও পরিচিত তিনি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “রাফি আল আমিন একজন ভদ্র, শিক্ষিত ও পরিশ্রমী যুবক। সুখে-দুঃখে সবসময় মানুষের পাশে থাকেন। ইউনিয়নের উন্নয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।” আরেকজন বাসিন্দা চান মিয়া বলেন, “তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্যতা তার আছে। আমরা চাই তিনি নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করুন।” এ প্রসঙ্গে রাফি আল আমিন বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। নির্বাচিত হতে পারলে খানপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়নে রূপান্তর করবো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং তরুণদের কর্মসংস্থানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, “দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিক যেন সমান সেবা পায়, সেটাই হবে আমার অঙ্গীকার।”  আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তরুণ প্রার্থী হিসেবে রাফি আল আমিন কতটা আস্থা অর্জন করতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে