স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন রোববার সকালে নবাবগঞ্জে হামের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠাতে বললেন, হাম রোগের ভয়াবহতা কোনো অংশে করোনার চেয়ে কম নয়।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “টিকাদান কেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত বয়সের সব শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে। টিকার পাশাপাশি শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “হাম বজ্রপাতের মতো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে- যার কারণে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে গুরুতর রোগীদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি পর্যায়ে হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হামের রোগীদের প্রায় ৮২ শতাংশই ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশু। এ কারণে এই বয়সসীমার শিশুদের অগ্রাধিকার দিয়ে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আক্রান্ত শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সুস্থ শিশুদের জন্য টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। একই দিনে বরিশাল ও ময়মনসিংহেও এই কার্যক্রম চালু করা হবে।
পরবর্তীতে ১৩ মে থেকে দেশের অবশিষ্ট সব জেলা ও উপজেলায় একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।