মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী খোলার জন্য মঙ্গলবার পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়েছেন। যা তেহরান সম্পূর্ণ উপেক্ষা করছে। তারা কঠোর প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
সংঘাত এখন ছয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং সামরিক ও কূটনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই প্রভাব পড়ছে। তেহরানের ব্যস্ত রাস্তায় বিশাল আমেরিকা বিরোধী বিলবোর্ড উন্মোচিত হয়েছে যেখানে প্রতীকী ছবিতে ইরানের সৈন্যদের জাল দিয়ে মাছের মত মার্কিন যুদ্ধবিমান ধরতে দেখা যায়।
বিলবোর্ডে বার্তা, 'হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে। পুরো পারস্য উপসাগরই হবে আমাদের শিকারের এলাকা'। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান যদি নির্দেশ মেনে না চলে, তবে যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে আঘাত করতে পারে। অন্যদিকে ইরানি কর্মকর্তারা ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি নিন্দা জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে, কোনো হামলার জবাব খুবই শক্তভাবে দেওয়া হবে, যাতে সামরিক ও বেসামরিক উভয় স্থানের নিরাপত্তা বিপন্ন হবে।
এছাড়া তেহরানসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা তীব্র হয়েছে। সোমবার কুয়েত, ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলার খবর পাওয়া গেছে। ইরানি সামরিক কমান্ড আরও ধ্বংসাত্মক জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
সংঘাতের ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব আরও তীব্র হচ্ছে। জাতিসংঘের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, চলমান যুদ্ধে আরব অঞ্চলের অর্থনীতি বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।