দিনাজপুরের দক্ষিন পুর্বাঞ্চলীয় উপজেলা ঘোড়াঘাটে প্রতিবছরই ভূট্টা চাষে কৃষকদের সম্পৃক্ততা বেড়েই চলেছে। ভূট্টার বিবিধ ব্যবহার দিন দিন এর জনপ্রীয়তা বাড়াচ্ছে। ভূট্টা সংগ্রহের পর এর মোচা ও কান্ড জালানীর কাজে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া ভুট্টার পাতা গবাদী পশুর উৎকৃষ্ট খাদ্যের জোগান দেয়। বর্তমানে ভূটার কান্ড থেকে সুমিষ্ট গুড় উৎপাদন হতে চলেছে। ঘোড়াঘাট কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়,একটি পৌরসভা ও চারটি ইউৃনিয়নসহ চলতি বছর ঘোড়াঘাট উপজেলায় ১হাজার ৯শত ২৫ হেক্টর ভূট্টা চাষের লক্ষ মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিলো। কিন্তু সেই লক্ষ মাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ভ’ট্টা চাষ হয়েছে বলে জানান ঘোড়াঘাট কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রফিকুজ্জামান। তিনি আরো জানান,ইরি বোরো আবাদের চেয়ে ভুট্টা চাষে সেচ ও সার তুলনামুলক কম দিতে হয়,তাছাড়া ফলনও ভালো হয় এ কারনেরই প্রতি বছরই নতুন নতুন ভূট্টা চাষী ভূট্টা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। ঘোড়াঘাট উপজেলায় উচু জমি বেশী হওয়ার কারনে এবং ইরি-বোরো আবাদে প্রচুর অর্থ লগ্নি করে সেই অর্থ ঘরে ফিরে না আসা ইত্যাদি কারনে এলাকার কুষকেরা ভূট্টা চাষে আগ্রহী হয়ে পড়ছেন। দেশের পোল্ট্রিফিড,বেকারী ,শিশুখাদ্যসহ বিভিন্ন খাদ্য তৈরিতে সব সময় ভূট্টার চাহিদা থাকে ব্যপক, আর এই ব্যপক চাহিদা থাকা সত্তেও ভূট্টা চাষীরা প্রকৃত মুল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ভুট্টা চাষীরা হাতে গনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নিকট জিম্মি হয়ে পড়ছেন।তা ছাড়া মধ্যসত্বভোগীরা কৃষকের নিকট থেকে কম মুল্যে ভুট্টা ক্রয় করে গুদামজাত করে অধিক মুনাফা করে থাকেন। এ ব্যপারে এলাকার ভূট্টা চাষীরা সরকারের নিকট ভূট্টার মুল্য নির্ধারনের জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।