ভৈরবে ফিডিং কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ইউএনও

এফএনএস (আদিল উদ্দিন আহমেদ; ভৈরব, কিশোরগঞ্জ) :
| আপডেট: ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম | প্রকাশ: ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম
ভৈরবে ফিডিং কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ইউএনও

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পুষ্টিমান নিশ্চিত করতে ও ঝরে পড়া রোধে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্কুল ফিডিং (টিফিন) কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে পৌর শহরের বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়। এই কর্মসূচির আওতায় ভৈরব উপজেলার মোট ৯১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে টিফিন হিসেবে নিয়মিত পুষ্টিকর বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা বিতরণ করা হবে। সরকারের এই মহতী উদ্যোগের ফলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে এবং শিশুদের দীর্ঘদিনের পুষ্টির অভাব দূর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে.এম. মামুনুর রশীদ। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে খাবার তুলে দিয়ে তিনি বলেন, একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। অনেক সময় সঠিক পুষ্টির অভাবে শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। সরকারের এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুধু শিক্ষার্থীদের শারীরিক চাহিদাই পূরণ করবে না, বরং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধে এটি একটি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। আমরা খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস করব না। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সানজিদা বেগম, ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রণয় কুমার এবং ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সোহেলুর রহমান।  এসময় বক্তারা মানসম্মত ও টাটকা খাবার পরিবেশন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান। সম্পূর্ণ কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাস্ট এস এস এন্টারপ্রাইজ প্রাঃ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে এই ফিডিং কর্মসূচি পরিচালনার কাজ পায়। ফাস্ট এস এস এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি আরিফুল হক হোসেন সুজন-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি নির্ধারিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এই পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে। খাবারের মান তদারকি করতে নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা চালু থাকবে বলেও প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে