বড়দলে বায়ার কোম্পানীর ঔষধে ক্ষতিগ্রস্থ, তরমুজ চাষীর মানববন্ধন

এফএনএস (জি.এম. মুজিবুর রহমান; আশাশুনি, সাতক্ষীরা) : | প্রকাশ: ৩ মে, ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম
বড়দলে বায়ার কোম্পানীর ঔষধে ক্ষতিগ্রস্থ, তরমুজ চাষীর মানববন্ধন

আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের নড়েরাবাদ-চম্পাখালী মৌজায় বায়ার কোম্পানীর ঔষধ ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্থ চাষীর ক্ষতিপুরন ও কোম্পানীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়ে মানববন্ধন করা হয়েছে। রবিবার (৩ মে) বিকালে ক্ষতিগ্রস্থ চাষীর তরমুজ ক্ষেতে স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

বায়ার কোম্পানীর কৃষি পরামর্শদাতার পরামর্শ এবং কোম্পানীর কীটনাশক ব্যবহারে কৃষক পবিত্র মন্ডলের ১০০ বিঘা জমির তরমুজ নষ্ট হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের ক্ষতিপুরন, কোম্পানীর বিরুদ্ধে তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবী জানিয়ে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক পবিত্র মন্ডল, নিবেদিতা মন্ডল, কুমারেশ মন্ডল, নাথুরাম মন্ডল, তুষার কান্তি সানা, কনিকা মন্ডল, যতীন্দ্র নাথ মন্ডল প্রমুখ। বক্তাগণ বলেন, প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে এবছর তরমুজ চাষ করেন পবিত্র মন্ডল। গাছের গড়ন, চেহারা সবই ভাল ছিল। গাছে গাছে অসংখ্য তরমুজের ফল বের হয়। প্রতিটা তরমুজ ২৫০ গ্রাম থেকে এক/দেড় কেজি ওজন হয়েছিল। কিন্তু ক্ষেতে চিলচেলে রোগ দেখা দিলে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করা হলে কর্মকর্তারা ক্ষেত পরিদর্শন করে ব্যবস্থাপত্র দেয়। কিন্তু বায়ার কোম্পানীর ফিল্ড অফিসার বিশ্বরাম মন্ডল চাষীর কাছে ফোন করে এবং ক্ষেতে এসে নানা কথা বলে তাদের কীটনাশক ব্যবহারে প্রলুব্ধ করে। তার কথা মত ৮ এপ্রিল ১ম ওষুধ স্প্রে করা হয় কিন্তু কোন পরিবর্তন হয়নি। তখন ২য় বার স্প্রে করা হয়। তখন মাঠ হলুদ হতে শুরু করে। আমরা কোম্পানীর কাছে ফোন করলে সার গুলে দিতে বলা হয়। এবং বিশ্বরাম ২ দিন পরে আসেন এবং তাদের ওষুধে ক্ষতি হয়নি দাবী করেন। এরপরদিন একসাথে তারা ৩০/৩৫ জন এসে আমাদের উপর আক্রমাত্মক কথা বলেন এবং ক্ষেত মালিককে মারধর করতে যায়।  ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক তরমুজ চাষে ৩২ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছেন। যেখানে ১০/১৫ দিনের মধ্যে তরমুজ বাজারজাত করা যেত সেখানে সর্বশ্ব হারিয়ে কৃষক ভিখারী হয়ে গেছে। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত পূর্বক কোম্পানীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন এবং কৃষকের ক্ষতিপুরনে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কৃষি কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও মাননীয় এমপি মহোদয়ের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।