রাজশাহীর তানোরে বেসরকারি সংস্থা ‘এসকেএস ফাউন্ডেশন’ খাল পুনঃখননে পুকুর নয়, যেন সাগর চুরি শুরু করেছে। এমন একটি খাল খননে অনিয়ম-দূর্নীতি করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি তানোর উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া ইউপির গাগরন্ড-দেওতলা সরকারি খাড়ি পুনঃখননে এমন অনিয়ম-দূর্নীতির করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু নীরব সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একদিকে খালের পাড় কেটে ট্রাক্টরে বহন করে মাটি অন্যত্র বিক্রি করা হচ্ছে। অপরদিকে খালের মাটি পাড়ে যৎসামান্য ফেলে লেবেল করা হচ্ছে। কিন্তু নিয়মে বলা আছে খাল কেটে মাটি পাড়েই ফেলতে হবে। তবে, এ নিয়মের কোন তোয়াক্কা করছে না সংশিষ্ট ঠিকাদার বলে দাবী ওই ইউপির এনসিপির আহবায়ক আশিক হোসেনের। এছাড়া খালের দৈর্ঘ্য প্রস্থ ও গভীরতা সিডিউল মোতাবেক কোন কাজই নিয়ম মতে করা হচ্ছে না বলে তাদের অভিমত। এই খাল পুনঃখননে দৈর্ঘ্য প্রস্থের পরিমান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নাম বা খনন ব্যয় সম্বলিত সাইনবোর্ড দেয়া হয়নি। অন্ধকারে হচ্ছে খাল খনন নামে লোপাট। এজন্য স্থানীয়রা বলছেন খাল পুনঃখননে পুকুর নয়, যেন সাগর চুরি করা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৫ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তিন কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে। এ কাজে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) অর্থায়ন করছে। আর বাস্তবায়নে রয়েছে বেসরকারি সংস্থা 'এসকেএস ফাউন্ডেশন'। এই খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা সিংহভাগ অর্থ লোপাট করছেন। এর সিংহভাগ অর্থ চলে যাচ্ছে কর্তা ব্যক্তিদের পকেটে। এজন্য নীরব সবাই।
এব্যাপারে তানোর এসকেএস ফাউন্ডেশনের ইঞ্জিনিয়ার অনুপ কুমার বলেন, খালপুনঃখননে কোন অনিয়ম হয়নি। এবিষয়ে কোন তথ্য সাংবাদিকদের দেওয়ার ব্যাপারে আমার কাছে কোন নির্দেশনা নেই বলে এড়িয়ে গেছেন তিনি।