এই ঘটনায় গতকাল সোমবার দুপুরে আহতের স্ত্রী মোছা. আসমা আক্তার (২৮) গজারিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে গত রবিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের টেংগারচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুন রাতে টেংগারচর গ্রামের বাসিন্দা ওয়াসিম প্রধানের সিগারেটের বিষয় নিয়ে একই গ্রামের জামির (৪০) এর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জামির ও তার সহযোগীরা ওয়াসিমকে মারধর করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে বিষয়টি সামাজিক ভাবে মীমাংসার জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ১৪ জুন রাতে জামিরের বাড়িতে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, সালিশি বৈঠক শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তে জামির ও হেলেনা আক্তার এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে ওয়াসিমের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারার পাশাপাশি চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। ওয়াসিমের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওয়াসিম প্রধান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সালিশ বসার আগেই তারা আমার ওপর হামলা চালায়। আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে জামির কসাই। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তারা রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হাসান আলী জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।