শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ শনিবার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলসে আয়োজিত ‘টেক্সটাইল বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে চতুর্থ আন্তর্জাতিক সম্মেলন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, “বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার এই সময়ে গবেষণা, উদ্ভাবন ও শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয় শুধু ডিগ্রি বা সনদ প্রদানের প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দক্ষ, যোগ্য ও কর্মমুখী মানবসম্পদ তৈরির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি টেক্সটাইল ও পোশাক খাত। দেশের রপ্তানি আয়ের বড় অংশ আসে এ খাত থেকে। তাই ভবিষ্যতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিকল্প নেই। বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাত শুধু একটি শিল্পখাত নয়, এটি দেশের অর্থনীতির রক্তসঞ্চালনের মতো কাজ করছে। এ খাতে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।”
“বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে টেক্সটাইল খাতেও প্রযুক্তিগত রূপান্তর, গবেষণা এবং নতুন উদ্ভাবনের প্রয়োজন রয়েছে। স্মার্ট টেক্সটাইল, আধুনিক উৎপাদনব্যবস্থা ও শিল্প-একাডেমিয়ার সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে হবে”
টেক্সটাইল শিল্পের বহুমুখীকরণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে নতুন বাজার সৃষ্টি করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা আরও বাড়াতে হবে। শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।