উচ্ছেদের পর পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এএসআই মো. হানিফ উদ্দিনের ছত্রছায়ায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আঙ্গিনায় অবৈধ ছোট বড় বিভিন্ন দোকান করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতাল গেটের পাশে বেদখলকৃত দোকান থেকে প্রতি মাসে ঘুষ নেন হানিফ উদ্দিন। এতে করে জায়গা দখলসহ হাসপাতাল ও মুল সড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগের এক নোটিশ থেকে জানা যায়, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম গত ৩০ মার্চ হাসপাতালের আশে পাশের সড়ক বিভাগের বেদখলকৃত জায়গা উচ্ছেদের জন্য নোটিশ দেয়া হয়। পরবর্তীতে সেগুলো অপসারণও করা হয়। সম্প্রতি আবার সেই জায়গা বেদখল করে বিভিন্ন দোকানপাট বসানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেনালের হাসপাতাল ও টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আঙ্গিনায় চায়ের দোকান, শরবতের দোকান, ফলের দোকান, চা পানের দোকানসহ নানা ব্যবসা করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ২৭ টি দোকান থেকে দোকান থেকে প্রতি মাসে ৫০০ থেকে দুই হাজার মাসোহারা তোলেন পুলিশ বক্সের দায়িত্বপাপ্ত ইনচার্জ হানিফ উদ্দিন। এছাড়াও হাসপাতালের ৩৫ জন দালালের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে মাসোহারা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় হাসপাতাল সড়কে চলাচলরত মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা থামিয়ে টাকা নেয়ার অভিযোগও রয়েছে হানিফের বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন ব্যবসায়ী বলেন, হাসপাতালের আঙ্গিনায় দোকান করতে হলে মাসোহারা দিতে হয়। পুলিশকে টাকা না দিয়ে দোকান করার কোন উপায়ই নেই। টাকা দিতে দেরি হলে খারাপ আচরণ করে থাকে। এ বিষয়টি অস্বীকার করে পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এএসআই মো. হানিফ উদ্দিন বলেন, কারো কাছ থেকে কোন প্রকার টাকা নেয়া হয় না।