ফরিদপুরে ডিবি হেফাজতে মৃত্যুবরণকারী ছাত্র লীগ কর্শমী ইতিয়াক মির্জা প্রান্তের বাড়িতে গিয়ে শোক সমৃদ্ধ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর ১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসরুল ইসলাম। ২৪ জুন সকাল ১০ টার সময় মধুখালী উপজেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে পৌরসভার গোন্দারদিয়া বাড়িতে যান। প্রান্তের মা, ছোট ভাই ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে কথা বলে খোজ খবর নেন। খন্দকার নাসির এই অপমৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে বলেন,যদি হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকে তবে তার সঠিক বিচার দাবি করেন। এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে বিএনপির নেতৃবৃন্দকে নির্দেশনা দেন। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হিংসাত্মক রাজনীতি, দমন পিরোন ও হত্যাকান্ড পছন্দ করেন না।
তারেক রহমান কখনোই কোন অন্যায় অপরাধ মেনে নিবে না। সেসময় উপস্থিত ছিলেন, মধুখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম মানিক, পৌর বিএনপির সভাপতি হায়দার আলী মোল্লা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবলু কুমার রায় ও শরিফুল ইসলাম ফকির, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান মুন্নু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তারিকুল ইসলাম ইনামুল, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান কালা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জহুরুল ইসলাম লিটন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাদ্দাম আরেফিন সহ আরো অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, ইশতিয়াক মির্জা প্রান্ত গত ২০ জুন ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হাতে আটক হন। পরদিন ২১ জুন সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যুর খবর পায় পরিবার। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হলেও পুলিশ জানিয়েছে, হেফাজতে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। প্রান্তের মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানাজায় অংশগ্রহণকারী অনেকেই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।