রোববার (২৮ জুন) ভোর ৩টা ২৪ মিনিটে রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের সায়েদাবাদ বাজারে একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে মমিনুল এর দুই তারা হোটেল থেকে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে বাজারের ৯টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে ঔষধের দোকান, মনোহারি, ফল ও সেলুনের দোকান। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন মমিনুল ইসলাম, লালচাঁদ, আব্দুস সবুর, নুর মোহাম্মদ, শহিদুর রহমান, মিজানুর রহমান, বাবু মিয়া, আব্দুল খালেক ও আলতাফ হোসেন। কর্তিমারী ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাদা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’ ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তালিকা অনুযায়ী, আগুনে প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং বৃহত্তর ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধে সক্ষম হন।
ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আলাউদ্দিন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত খোঁজখবর নেন এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ, ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। রৌমারী উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের লক্ষ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনে বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণকে নিয়ে অগ্নি-নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ও মহড়ার আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।