সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীর করাল গ্রাসের শিকার হয়ে চকরথিনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে এবং আরো দুইটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী গর্ভে বিলিনের আশঙ্কা করছেন কর্মকর্তারা। কর্মকর্তারা বলেন,যমুনা নদীর ভাঙ্গন নতুন কোন ঘটনা না। চর এলাকায় প্রতি বছর অনেক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী ভাঙ্গনের মুখে পড়ে। এবারও চকরথিনাথ প্রথমিক বিদ্যালয় ইতোমধ্য নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।এই বিদ্যালয় ছাড়াও যমুনা চরের দক্ষিণ হাটবাড়ী ও চরনয়াপাড়া সরকারি বিদ্যালয় হুমকির মুখে পড়েছে।বিদ্যালয় দুইটি যমুনা নদী থেকে এক'শ গজ দূর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান,চকরথিনাথ বিদ্যালয়টি ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়।এক 'শ ছয় বছরের পুরানো এই বিদ্যালয় ছয় বার যমুনা নদীতে বিলীন হয়। বর্তমানে অস্থায়ী ভিত্তিতে চরের একটি রাস্তার ধারে টিনের ছাপরাঘরে কোন মতে পরিচালিত চালিত হচ্ছে।এতে শিক্ষা কার্যক্রম সাময়িক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পূনরায় চকরথিনাথ গ্রামে বিদ্যালয়টি স্থাপন করার দাবী জানিয়েছেন। চকরথিনাথ চরগ্রামের মোঃ আছালতজ্জামান বলেন,এলাকাবাসীর মতামত উপেক্ষা না করে, কর্তৃপক্ষের সুবিধার্থে অন্য জায়গায় যেনো প্রতিস্থাপন না করা হয়। প্রধান শিক্ষক মোঃরফিকুল ইসলাম বলেন,বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৭৪ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালু আছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান বলেন, বিলীন হওয়া বিদ্যালয়টি ওই চরগ্রামের বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে পুনরায় স্থাপন করা হবে।তবে এই ক্ষেত্রে ঊর্ধ্ব কর্তৃপক্ষের মতামত চাওয়া হয়েছে।