বরিশালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদকসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ২৪৮ জন নামধারী নেতাকর্মীকে বিবাদী করে আদালতে নালিশী মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্রনেতা পরিচয় দেয়া মো. মারজুক আব্দুল্লাহ। অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট এসএম শরিয়ত উল্লাহ নালিশী মামলায় আনা অভিযোগ মহানগরীর উপ-পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়া নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার প্রধান বিবাদী হলেন-বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মহানগরের সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।
এছাড়াও বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর, সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনের স্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টুসহ ২৪৮ জন নামধারী রয়েছেন। এ বিষয়ে মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহ বলেন, বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। কিন্তু নেতাকর্মীরা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিভিন্ন সময় আগ্নেয় ও ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্যে নিয়ে সড়ক অবরোধ করে মিছিল করে। এতে দেশের শান্তি শৃংখলা বিঘ্ন ঘটিয়েছে। এছাড়াও তাদের প্রতিহত করতে গেলে ককটেল ও পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে। এ সময় জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের হত্যা করার হুমকি দেয়া হয়েছে। অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার জানিয়েছেন, একটি নালিশী মামলা হয়েছে। উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশনকে) তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট।