উত্তরের সীমান্তে জেলা কুড়িগ্রাম। সীমান্তবর্তী ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় তিন দিকজুড়ে ভারতীয় সীমান্ত থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই মাদক পাচার, চোরাচালানসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমন বাস্তবতায় ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে একাধিকবার মাদক কারবারি ও চোরাচালান চক্রের সদস্য আটক হওয়ায় অপরাধীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তিনি এখন প্রশংসা ভাসছেন।
স্থানীয়রা জানান, দায়িত্ব পালনে তিনি অত্যন্ত পেশাদার, সাহসী ও দক্ষ একজন পুলিশ কর্মকর্তা। যেকোনো অভিযানে তিনি পরিকল্পিতভাবে নেতৃত্ব দেন এবং আইন প্রয়োগে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দেন। সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে তাঁর কার্যকর ভূমিকার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের আশিকুর রহমান বলেন, প্রতিদিন ভারত সীমান্ত থেকে মাদক আসছে। বিজিবি ও পুলিশ বাহিনী যদি মনে করেন মাদকক মুক্ত করবে তাহলে তারা পারবে। এ এসপি স্যার আসার পর তিনি মাদক কারবারিসহ বিভিন্ন চক্রকে ধরতে প্রায় প্রতিদিন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। অবশ্য তিনি প্রসংশার দাবিদার। আমরা দোয়া করি তিনি যেন সুস্থ থেকে আমাদের জন্য কাজ করে যেতে পারেন।
চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের আব্দুল জলিল মিয়া বলেন, পুলিশের পাশাপাশি আমাদের জনগন কেও এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকলে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে এবং সমাজে শান্তি ফিরে আসবে। এবিষযে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন জানান, এই উপজেলায় বিভিন্ন সীমান্তে দিয়ে মাদক আসে আমি চাই মাদক মুক্ত উপজেলা। এটা আমার পক্ষে সম্ভব না এতে সবাই কে সহযোগিতা করতে হবে তাহলে মাদক মুক্ত হবে। আমি যত দিন আছি এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।