দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ: সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ ও বাস্তবায়নের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, নবাবগঞ্জ উপজেলার ৮ নম্বর মাহমুদপুর ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার। উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের তুলনায় এই ইউনিয়নে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক নির্মাণ এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে বরাদ্দ ও অগ্রগতি উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারের ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ কর্মসূচির আওতায় অন্যান্য ইউনিয়নে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও মাহমুদপুর ইউনিয়ন এখনও পিছিয়ে রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নে পাকা সড়কের হার ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ হলেও মাহমুদপুর ইউনিয়নে তা মাত্র ৪০ শতাংশ। ফলে বর্ষা মৌসুমে অধিকাংশ কাঁচা সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এছাড়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) থেকেও মাহমুদপুর ইউনিয়নে বরাদ্দ তুলনামূলকভাবে কম বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে সড়ক, ড্রেনেজ ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধার উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিনের অবহেলায় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বিশেষ করে ন্যাফাগঞ্জ-ভিটা গ্রামের সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা সড়ক বর্ষাকালে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায়। এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমে সমতা নিশ্চিত করতে মাহমুদপুর ইউনিয়নের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। তারা অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় বরাদ্দ বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নয়ন বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়েছেন।