সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলির তদবিরে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বদলির অনুরোধ নিয়ে শিক্ষকদের এত বেশি ভিড় হয় যে, নিজের অফিস কক্ষে ঢোকাই কঠিন হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পিটিআই মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন মন্ত্রী। ঢাকা জেলার আওতাধীন প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে ‘অধিকতর মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা’ বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, “বদলির তদবির নিয়ে শিক্ষকরা এত বেশি ভিড় করেন যে, আমি এবং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আমাদের অফিস রুমে ঢুকতেই পারি না।”
প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলির ক্ষমতা উপজেলা পর্যায়ে নেওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সব শিক্ষকই ঢাকায় বদলি হয়ে আসতে চান। শিক্ষকদের কথা শুনলে মনে হয়, দেশের সব বিদ্যালয় যেন ঢাকাতেই অবস্থিত। এ কারণেই বদলির বিষয়টি উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সভায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা ও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।