রাজশাহীর তানোরে পাঁচন্দর ইউপিতে জনপ্রিয়তায় ও পছন্দে সবার শীর্ষে রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মজিবুর রহমান। জনগনের দোয়া ও সহযোগিতাসহ ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে পাঁচন্দর ইউপিকে দূর্নীতি মুক্ত ন্যায় প্রতিষ্ঠাসহ আধুনিক ইউনিয়ন গঠনে উচ্ছে প্রকাশ করেছেন তিনি। অমায়িক ব্যবহার ও নম্র, ভদ্র, শিক্ষিত, মার্জিত ও সদা হাস্যোজ্জ্বল এই নেতা তার কর্ম দক্ষতায় জনতার মনে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছেন। আপদে বিপদে জনতার পাশে থেকে সহযোগিতা করে চলেছেন তিনি। তাই তাকে নিয়েই নিজেদের অধিকার ফিরে পাওয়া স্বপ্ন দেখছেন ভোটাররা। ভোটাররা বলছেন, আমরা যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে প্রাপ্য অধিকার বুঝে নিতে চাই।
যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতায় অন্য প্রার্থীদের চেয়ে কোন দিক থেকে পিছিয়ে নেই অধ্যাপক মজিবুর রহমান। আ' লীগ সরকারের আমলে নির্যাতিত এই নেতা দলের দূর্দিনেও দলের হাল ধরে রেখে নেতা কর্মী সমর্থকদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করার পাশাপাশি নিপিড়ীত নির্যাতিত ও দরিদ্র শ্রেনী পেশার মানুষের মাঝে সহযোগিতা হাড় বাড়ি দেয়ার ক্ষেত্রে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। গণঅভ্যতার পর তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে শুরু করে গ্রাম পাড়া ও মহল্লায় গনসংযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করতে শুরু করেন। গত জাত সংসদ নির্বাচনে তার ভূমিকা ছিলো সবার সবার শীর্ষে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি বিভিন্ন এলাকায় গনসংযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অব্যহত রেখেছেন। সেই সাথে মতবিনিময় সভা ও বিভিন্ন দিবস পালনেও অন্যদের চেযে রয়েছেন অনেক এগিয়ে।
ছাত্র জীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন এলাকায় সমাজ সেবক ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান অধ্যাপক মজিবুর রহমান। ক্লিন ইমেজের অধিকারী ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক এই নেতাকে বার বার বঞ্চিত করা হয়েছে তার প্রাপ্য অধিকার থেকে। তার সাফল্য দেখে নিজ দলেরই অনেকেই তাকে পিছন থেকে টেনে ধরার চেষ্টা করছেন। কিন্তু জনগণ ও ভোটাররা এবার তাকে নিয়েই আগামী নির্বাচনের স্বপ্ন দেখছেন এবং প্রাপ্য অধিকার ফিরে পাওয়ার দিন গুনছেন। সব মিলিয়ে আগামীতে পাঁচন্দর ইউপির জনগনের কান্ডারী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। দলের হাই কমান্ড তাকেই বিএনপির দলীয় মনোনয়ন দেবেন এমন প্রত্যাশা করছেন তিনি ও দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকসহ জনগন ও ভোটাররা।