কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, কুলিয়ারচর, নিকলী, অষ্টগ্রাম , ইটনা, মিঠামইনসহ আশেপাশের প্রত্যেকটি উপজেলাগুলোতে আরইবি ও বিপিডিপির বিদ্যুতের ভেলকিভাজিতে আছে লাখ লাখ গ্রাহক। গত ২ বছরে আরইবি ও বিপিডিপির বিদ্যুতের দাম দফায় দফায় বাড়লেও গ্রাহকরা বিদ্যুত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই সুযোগে এই দুই বিভাগের কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাচ্ছে বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশ না করা শর্তে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা জানান, আবাসিক বিদ্যুৎ বিল যেখানে ৫০০-৬০০ টাকা আসত, সেখানে ১০০০-১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল আসছে বলে তাদের অভিযোগ। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিভাগের গাফিলতির কারণে ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল বাধ্য হয়ে দিতে হচ্ছে বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও কিশোরগঞ্জের হাজার হাজার পোল্ট্রী ফার্ম, সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে এই দুই বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উৎকোচ পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে আরইবি দিনে রাতে ৮-১০ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে। কিন্তু বাকি ১৪ ঘন্টা গ্রাহকরা অন্ধকারে থেকেও তাদেরকে বিদ্যুৎ বিল পুরোটাই দিতে হয়। আর বিপিডিপি দিনে রাতে কমপক্ষে ৩০-৪০ বার বিদ্যুৎ উঠানামা করে। এতে করে ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ অন্যান্য ইলেকট্রিক জিনিসপত্র পুড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকার কারণে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো মাসে মাসে লোকসান গুণতে গিয়ে তারা এখন হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে বলে ব্যবসায়িদের দাবি। বাজিতপুর বিপিডিপির নির্বাহী প্রকৌশলী মো: শাহ আলম কমল কে গণমাধ্যম কর্মীরা বিভিন্ন সময়ে ফোন দিলে তিনি বলেন, ৩৩/১, গ্রীডে সমস্যা থাকার কারণে বিদ্যুৎ উঠানামা করছে বলে স্বীকার করেন।