ক্ষমা চাইলেন আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ আয়ালা

এফএনএস স্পোর্টস
| আপডেট: ২৪ জুলাই, ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম | প্রকাশ: ২৪ জুলাই, ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম
ক্ষমা চাইলেন আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ আয়ালা

বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে স্পেন ও আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের ঘটনায় এবার দুঃখ প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে স্পেনের মিডফিল্ডার দানি ওলমোর কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমাও চাইবেন। বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের পর মাঠে দুই দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। টেলিভিশন ফুটেজে দেখা যায়, সেই বিশৃঙ্খলার মধ্যে আয়ালা ও দানি ওলমোর মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এরপরই বিষয়টি তদন্তে নামে ফিফা। ভ্যালেন্সিয়া ক্যাপিটাল রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আয়ালা বলেন, নিজের আচরণের জন্য তিনি অনুতপ্ত, ‘অবশ্যই আমি দুঃখিত। আমার দায়িত্বের জায়গা থেকে কোনো অনুভূতি বা প্রতিপক্ষের কোনো কথায় প্রভাবিত হয়ে এমন আচরণ করা উচিত হয়নি।’ তিনি দাবি করেন, ঘটনাটি যতটা বড় করে দেখানো হচ্ছে, বাস্তবে ততটা গুরুতর ছিল না। আর্জেন্টিনা কোচের ভাষায়, ‘আমাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে, কিন্তু এটি কোনো ঘুষি ছিল না, যেমনটি অনেকেই বলছেন। ওর একটি কথার প্রতিক্রিয়াতেই এমনটা হয়েছিল। যদি আবার তার সঙ্গে দেখা হয়, আমি অবশ্যই ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাইব।’ আয়ালার ভাষ্য, ম্যাচ শেষে মাঠের মাঝখানে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে তিনি মূলত নিজের খেলোয়াড়দের সরিয়ে নেওয়ার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন। তবে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘আমি যা করেছি, তার দায়িত্ব আমি নিচ্ছি। আমার উদ্দেশ্য ছিল খেলোয়াড়দের আলাদা করা। কিন্তু কখনও কখনও পরিস্থিতি এমন হয়ে যায় যে আবেগ কাজ করে ফেলে। যদিও সেটি কোনো অজুহাত হতে পারে না।’ তিনি আরও জানান, স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়াকেও তিনি বলেছিলেন যে তিনি কেবল পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানাতেই সেখানে গিয়েছিলেন। ফাইনালের পর আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরতে দেখা যায়। এছাড়া নাহুয়েল মোলিনা ও থিয়াগো আলমাদাও ওই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনার পর ফিফা ইতোমধ্যে শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিভাগের একজন তদন্তকারী নিয়োগ করেছে। তদন্ত শেষে জড়িত খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। পাশাপাশি আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে পারে।