বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট কে এম রেজাউল ফিরোজ রিন্টু বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত ৮৬ জন আইনজীবীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন । তাঁর এ নিয়োগে আগৈলঝাড়াসহ সমগ্র বরিশাল জেলায় আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (সিজি-সিপি শাখা) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে ইধহমষধফবংয খধি ঙভভরপবৎং ঙৎফবৎ, ১৯৭২ (চ.ঙ. ঘড়. ৬ ড়ভ ১৯৭২)-এর ৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগাদেশ বাতিল করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ৮৬ জন আইনজীবীকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট কে এম রেজাউল ফিরোজ রিন্টু আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বাগধা ইউনিয়ন বিএনপির একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক সভাপতি মরহুম মো. রজ্জব আলী খানের পুত্র। পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও সমানভাবে সম্পৃক্ত। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, দরিদ্র পরিবারের আর্থিক সহযোগিতা, শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান, খেলাধুলার উন্নয়নে পৃষ্ঠপোষকতা, ঈদ উপলক্ষে খাদ্যসামগ্রী, পোশাক ও নগদ অর্থ বিতরণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত ভূমিকা রেখে তিনি এলাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান আগৈলঝাড়া অঞ্চলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তিনি রাষ্ট্রের পক্ষে উচ্চ আদালতে গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা, সাংবিধানিক, প্রশাসনিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের পক্ষে আইনগত মতামত ও যুক্তি উপস্থাপনসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। অ্যাডভোকেট কে এম রেজাউল ফিরোজ রিন্টুর এ গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগে আগৈলঝাড়াসহ বরিশাল জেলার আইনজীবী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, সুধীজন ও সর্বস্তরের মানুষ আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বিশ্বাস করেন, তাঁর অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সততা দেশের বিচার ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। একই সঙ্গে তাঁরা নতুন দায়িত্বে সর্বাত্মক সাফল্য কামনা করেছেন।