দাকোপে আদালতের আদেশ অমান্য করে সরকারী ভিপি সম্পত্তি অবৈধভাবে জোর জবরানে দখল চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় দাকোপ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভূক্তভোগী উপজেলার কামারখোলা ইউনিয়নের চান্নিরচক গ্রামের মনোরঞ্জন রায় বলেন, শ্রীনগর কালিনগর মৌজায় এস এ ৬৮৬, ৬৮৬/১ ও ৩৩ নম্বর খতিয়ানের ১.৩৮ একর জমি আমার পূর্ববর্তী রেকর্ডীয় মালিক রথিকান্ত গং ৫/৮৪-৮৫ নং ভিপি লীজ গ্রহীতা হিসাবে লীজ খরিদ করিয়া ভোগ দখলে থাকা কালে তার নিজেস্ব সম্পত্তি এবং এই সম্পত্তি আমার কাছে হস্তান্তর করে। আমিও ওই লীজ কেস অনুযায়ী সরকারের নিকট থেকে লীজ গ্রহন করিয়া প্রায় ৪০ বছর যাবৎ ভোগ দখলে আছি। কিন্তু গত বছর থেকে একই এলাকার পরিমল ঢালী গং আমার সরকারী লীজ অগ্রাহ্য করে নিজ নামে লীজ খরিদ করার জন্য বিভাগীয় কমিশনারের কাছে দাবি করে। সেখানে নিম্ন আদালতে ডিসি আর কাটার জন্য আদেশ দেন। কিন্তু পরিমল ঢালী ওই জমির কোন কো-শেয়ারার না হওয়ার জন্য নিম্ন আদালত থেকে ডিসি আর পায়নি। আমি ওই বিতর্কিত আদেশের বিরুদ্ধে কবলাকৃত দলিল বনিয়াদে ঢাকা সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনে ৭০৩১/২৫ নম্বর কেসে স্থায়ী স্থিতিবস্থা নির্দেশ পেয়ে উক্ত জমিতে আমি প্রতি বছরের ন্যায় চাষ কারকিত এবং ফসলাদি উৎপাদন করে আসছি। কিন্তু প্রতিপক্ষ পরিমল ঢালী সরকারী লীজ ভুক্ত জমি ডিসি আর না পাওয়া সত্ত্বেও দলবদ্ধভাবে ওই সম্পত্তি আত্নসাত করার জন্য আমার দখলীয় জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে আমাকে মারপিট করে এবং আমার রোপনকৃত ধানের চারা উপড়ে ফেলে। এঘটনায় ভূক্তভোগি মনোরঞ্জন রায় দাকোপ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন বলে জানা গেছে। ভূক্তভোগী সম্পত্তি রক্ষায় ন্যায় বিচারের দাবীতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে আর উপস্থিত ছিলেন কোমল রায়, নিতাই রায়, পবিত্র বাছাড়, শিবপদ রায়, সুরঞ্জন রায়। এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত পরিমল ঢালী বলেন, আমি কামারখোলা ইউনিয়ন পরিষদে মনোরঞ্জন রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি। সেখানে যে বিচার হবে আমি তাই মেনে নিব।