রাজশাহী মহানগরী থেকে জুয়া, ভূমিদস্যু ও মাদক চোরাকারবারীদের কঠোরহস্তে নির্মূল করতে আরএমপিকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কার্যালয়ে তাদের ইতিহাস ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে পুনঃস্থাপনকৃত ফলক উন্মোচন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজশাহীকে শান্ত ও নিরাপদ রাখতে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে এবং অপরাধীদের দমনে পুলিশকে কোন প্রকার রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হবে না। বিগত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী সরকারের আমলে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে শত শত কোটি টাকার মাদক ও অবৈধ চোরাচালান দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এই চক্রকে তিনি জাতির শত্রু বলে আখ্যায়িত করেন এবং মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে আরএমপিকে আরও কঠোর হতে বলেন।
মিনু বলেন, ১৯৯২ সালের ১ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজশাহীবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)-এর সূচনা ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। কিন্তু সময়ের বির্বতনে এটি পরিবর্তন করে ফেলা হয়। তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে ধরে রাখতে আরএমপির গৌরবময় ইতিহাসকে পুনঃস্থাপন করা হলো। অনুষ্ঠানের শেষে রাজশাহীর শান্তি, শৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধি কামনা করে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাসিক’র সাবেক মেয়র মো. মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ এরশাদ আলী ঈশা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আরএমপি ও প্রশাসনের কর্মকর্তা, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।