নামাজরত স্ত্রীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক

এফএনএস (বরিশাল প্রতিবেদক) : | প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৯ এএম
নামাজরত স্ত্রীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক

হত্যার উদ্দেশ্যে নামাজরত স্ত্রী, শশুর ও শাশুড়িকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করেছে মেয়ে জামাতা উজ্জ্বল হাওলাদার। গুরুত্বর আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার অভিযুক্ত উজ্জ্বল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তমপুর গ্রামে।

তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আদিল হোসেন জানিয়েছেন, অভিযুক্ত উজ্জ্বল হাওলাদারকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার শেষকার্যদিবসে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। স্থানীয় ও আহত সূত্রে জানা গেছে, দাড়িয়াল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মন্টু হাওলাদারের ছেলে উজ্জ্বল হাওলাদার একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তমপুর গ্রামের মিন্টু মিয়ার মেয়ে রুমানা আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। এর জেরে প্রায় দুই মাস আগে রুমানা আক্তার তার বাবার বাড়িতে চলে আসেন। ঘটনার দুইদিন আগে উজ্জ্বল হাওলাদার শশুর বাড়িতে আসেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোর ছয়টার দিকে হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে উজ্জ্বল হাওলাদার তার স্ত্রী রুমানা আক্তারকে নামাজরত অবস্থায় ধারালো চাকু দিয়ে এলোপাথারিভাবে কোপাতে থাকেন। এ সময় মেয়ের চিৎকার শুনে তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন রুমানার মা মাহমুদা বেগম। তাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে রুমানার বাবা মিন্টু মিয়া এগিয়ে আসলে তাকেও এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করে অভিযুক্ত উজ্জ্বল। স্থানীয়দের দাবি, হামলার পর আহতদের ঘরের দরজা বাহিরে থেকে তালাবদ্ধ করে অভিযুক্ত উজ্জ্বল পালিয়ে যায়। পরে আহতদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে বিস্তারিত জানার পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত উজ্জ্বলকে গ্রেপ্তার করেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে