শেরপুর গারো পাহাড়ে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা

এফএনএস (শাকিল আহমেদ শাহরিয়ার; শেরপুর) : | প্রকাশ: ২ অক্টোবর, ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম
শেরপুর গারো পাহাড়ে  পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা

কৃত্রিম পার্ক বা বিনোদন কেন্দ্র নয়, প্রকৃতির প্রাকৃতিক রূপকে কাজে লাগিয়ে শেরপুর সীমান্তে গারো পাহাড়ে পর্যটন শিল্পের এক নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কমিশন। বিশেষজ্ঞ ও হাতি গবেষকদের মতে, এই বনভূমিকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হলে দেশ-বিদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক এখানে আসবেন।

শেরপুর জেলার শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলা জুড়ে প্রায় ২০ হাজার একর বনভূমি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা। এর মধ্যে ১৮ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে বন্যহাতির প্রধান বিচরণক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালে ভারতের পিক পাহাড় থেকে দলছুট হয়ে আসা ২০-২৫টি হাতির সংখ্যা বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টিতে। উপযুক্ত আবাসন ও খাবারের অভাবে হাতির দল পুরো বনভূমি চষে বেড়াচ্ছে, যার ফলে মানুষ ও হাতির সংঘাত এবং প্রাণহানি ঘটছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম মনিরুল এইচ খান বলেন, প্রাকৃতিক বনই হাতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট আবাসস্থল। গারো পাহাড়ে অভয়ারণ্য গড়ে তুলতে হলে আগে প্রাকৃতিক বন ফিরিয়ে আনতে হবে। সেই সাথে অভয়ারণ্যের ভেতরে থাকা ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ করে মালিকদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিয়ে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে  । হাতির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল ও চলাচলের পথ নিশ্চিত করা গেলে লোকালয়ে হাতির বিচরণ কমবে, যা মানবেতর সংঘাত ও প্রাণহানি রোধে বড় ভূমিকা রাখবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে