ফিফার কাছ থেকে বিশ্বব্যাপী নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় পড়েছে বুরকিনা ফাসো। সম্প্রতি আর্জেন্টিনার মাঠে ৭-০ গোলে হেরে এসেছে দলটি। ম্যাচটি খেলার আগে নানা অব্যবস্থাপনার দায়ে অভিযুক্ত হয় বুরকিনা ফাসো ফুটবল ফেডারেশন। তারপর দেশটির সামরিক নেতা ইব্রাহিম ট্রাওরে জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনের নিয়ন্ত্রণ দখলের হুমকি দেন। আর্জেন্টিনায় পৌঁছানোর আগে লজিস্টিক্যাল বিশৃঙ্খলার শিকার হয় বুরকিনা ফাসোর প্রতিনিধি দল। ট্রানজিট ভিসা ও ফ্লাইট জটিলতার কারণে দলকে একের অধিক দিন ভ্রমণ করে ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে আর্জেন্টিনায় পা রাখে। তারপরই ফেডারেশনের প্রধান কর্নেল-মেজর ওমারো সাওয়াদোগোর দিকে আঙুল ওঠে। স্কোয়াডের মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে পারেননি বলে মনে হয়েছে। তারপরই প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন ট্রাওরে ম্যানেজমেন্টের অক্ষমতার তীব্র সমালোচনা করেন। ফরাসি সম্প্রচার সংস্থা আরএমসি স্পোর্ট-এর প্রতিবেদন বলছে, তিনি কঠোর কিছু সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন, ‘এটা সত্যি আমাদের ফুটবল দুর্বল। আমাদের ওষুধ খুঁজতে হবে। আবারও বিনিয়োগের জন্য আমাদের অবশ্যই এই অসুস্থতা কাটাতে হবে। আমি বিশ্বাস করি এই সপ্তাহে বড় কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যাতে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়।’ তিনি বলে যান, ‘শেষবার আমি ফেডারেশন প্রেসিডেন্টকে বলেছিলাম, ‘এখন পর্যন্ত আমরা আপনার কাজে হস্তক্ষেপ করিনি। কিন্তু এখন আমাদের আর কোনো উপায় নেই। আমাদের এটা করতেই হবে, আমরা নিষিদ্ধ হই বা না হই। কিন্তু যদি আমরা হস্তক্ষেপ করি, সেটা হবে সবকিছু গুছিয়ে নিতে ও সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য।’ ফেডারেশনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাওরে। যেটা ফিফার ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ। তাতে করে কেনিয়া ও জিম্বাবুয়ের পর তাদের ফুটবলও নিষিদ্ধ হওয়ার শঙ্কায়।