সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজার। অষ্টমী তিথীতে সবচেয়ে বড় আয়োজন হলো কুমারী পূজা। রোববার (১৮ অক্টোবর) নয়আনী বাজার পোদ্দার বাড়ীতে আড়ম্বরপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। কুমারী বালিকার মধ্যে বিশুদ্ধ নারীর রূপ কল্পনা করে তাকে দেবী জ্ঞানে পূজা করেন ভক্তরা। এবার কুমারী পূজায় ছিল ভক্তদের উপচেপড়া ভিড়। রোববার বেলা সাড়ে ১১ টায় শুরু করা হয় কুমারী পূজা। শেষ হয় বেলা ২ টায়। অগ্নি, জল, বস্ত্র, পুষ্প ও বাতাস- এই পাঁচ উপকরণে দেওয়া হয় কুমারী মায়ের পূজা। অর্ঘ্য দেওয়ার পর দেবীর গলায় পরানো হয় পুষ্পমাল্য। এরপর পুষ্পাঞ্জলি এবং প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এবারের মাতৃরূপী দেবী দুর্গার শাস্ত্রীয় নাম পূঞ্জিকা আর জীবন্ত রূপের নাম আরাধ্যা চক্রবর্তী। বয়স ৮ বছর। এরআগে স্নান করিয়ে ঝকঝকে শাড়ি, ফুলের মালা, মুকুট, পায়ে আলতা, কপালে টিপ ইত্যাদি পরিয়ে সাজিয়ে তৈরি করা হয় কুমারী মাকে। পূজা শুরুর আগে পর্দায় ঢাকা মণ্ডপে অধিষ্ঠিত করা হয় ‘কুমারী মাকে’। পরে খুলে দেওয়া হয় পর্দা।
এ সময় ভক্তরা উলুধ্বনি দেন এবং কুমারী দেবী ও দুর্গা দেবীর জয়ধ্বনি করেন। ঢাক, ঢোল, ঘণ্টা, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয় পুরো প্রাঙ্গণ। পূজা মন্ডপে ঢাকের বাদ্য, কাঁসরঘণ্টা, শঙ্খের আওয়াজ আর উলুধ্বনিতে মুখরিত হয় পুরো প্রাঙ্গণ।