পটুয়াখালীর কলাপাড়ার কুয়াকাটায় একটি বাসা থেকে আরিফা আক্তার নামে এক গৃহবধুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ নিহত গৃহবধূর স্বামী রিফাত কে আটক করেছে করেছে। সোমবার রাত ১০ টার পরে ৯৯৯ এ কল পেয়ে মহিপুর থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত গৃহবধূ বরিশালের গৌরনদীর রায়গতি এলাকার আঃ খালেক হাওলাদারের মেয়ে। নিহতের স্বামী রিফাত একই এলাকার বাসিন্দা। গত চার মাস ধরে কুয়াকাটা পৌর এলাকার ৩ নাম্বার ওয়ার্ডের মাঝিবাড়ি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছে। রিফাত কুয়াকাটায় একটি রেস্তোরাঁয় চাকরি করতেন। স্থানীয়রা জানান, মাঝে মধ্যেই নিহত আরিফা ও রিফাতের মধ্যে কলহ লেগেই থাকতো। সোমবার রাতে হঠাৎ কান্নাকাটির শব্দ শুনে লোকজন এগিয়ে গেলে ঘরের ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহব্বত খান বলেন, জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। স্বামী রিফাত বাসায় ছিল। তার কথাবার্তা অসংলগ্ন হওয়ায় জিজ্ঞাসাদের জন্য তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। কেন কী কারণে গৃহবধুকে কারা হত্যা করেছে তা তদন্তের জন্য পটুয়াখালী থেকে সিআইডির একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহ করেছে। নিহতের মরদেহ মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করার প্রস্তুতি চলছে।