জিয়া পরিবার প্রান একজন কালীগঞ্জের হামিদুল ইসলাম হামিদ। ঝিনাইদহ-৪ নির্বাচনী এলাকার গণমানুষের সুখ দুঃখের দু’যুগের সাথী যিনি দীর্ঘ আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময়ে কর্মী ফেলে রেখে পালিয়ে যাননি। তাদের পাশে থেকে তাদের ছায়াসঙ্গী ছিলেন। বারবার নিজের জীবনের ঝুঁকি এলেও কর্মীদের রেখে পালিয়ে যাননি হামিদুল ইসলাম। একমাত্র কন্যা হাসপাতালে চিকিতসার্ধীন থাকা অবস্থায় হামিদ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দু,দিন দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় রাশেদ খান কে নিয়ে। যিনি শত কষ্ট বুকে ধারন করে নিজেকে নীলকন্ঠ বানিয়ে নিজের কলিজার টুকরা একমাত্র কন্যা সন্তান প্রার্থনা অসুস্থাবস্থায় ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে বছানায় ফেলে রেখেও দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশ বাস্তবায়নে তার মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খাঁনকে বিজয়ী করতে রাতদিন ঝিনাইদহ-৪ নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা। আবেদন জানাচ্ছেন অন্য কোন মার্কা নয়, অন্য কোন দল নয় দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে,দেশের উন্নয়নের স্বার্থে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। শহীদ জিয়ার স্বপ্ন-খালেদা জিয়ার স্বপ্ন এবং তারেক রহমানের আগামী দিনে রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন ধারণাকে বাস্তবায়ন করতে হবে। জননেতা হামিদ প্রমান করে চলেছেন নিজের জীবন নয়, পরিবার নয়, এমনকি কলিজার টুকরো একমাত্র সস্তান নয়, জিয়া পরিবারই তার কাছে আপন। শিশুটিই আজ পিতা ছাড়াই ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। া কালীগঞ্জবাসী সবাই শিশু প্রার্থনাকে সুস্থতা কামনা করি। আশা করি জনতার হামিদ যেন এভাবেই জিয়া পরিবারের পাশে থাকেন।