জুলাই যোদ্ধারা মাঠে না নামলে আমাদের স্থান থাকতো এখন আয়না ঘরে

এফএনএস (কাজল বরণ দাস; পটুয়াখালী) :
| আপডেট: ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম | প্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
জুলাই যোদ্ধারা মাঠে না নামলে আমাদের স্থান থাকতো এখন আয়না ঘরে

পটুয়াখালী-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল(অব:)আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন “জুলাই যোদ্ধারা মাঠে না নামলে সারা দেশের ২০ কোটি মানুষ মাঠে নামতো না।জুলাই যোদ্ধাদের  বুকের তাজা রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হওয়ার কারণেই আজকে আমরা মুক্ত বাতাসে নি:শ্বাস নিতে পারছি,আজকে আমরা একত্রে হতে পারছি স্বাধীন ভাবে কথা বলতে পারছি।জুলাই যোদ্ধারা না হলে ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের উপর যেভাবে জগদ্বল পাথরের মত বসে ছিল আজকে তারা  থাকলে আমরা এখানে আসতে পারতাম না আমাদের স্থান হতো আয়না ঘরে।  আজ (৯ফেব্রুয়ারী) সোমবার বিকেলে পটুয়াখালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে শেষ নির্বাচনী জনসভায় মাকসুদ আহমেদ বায়েজিদ পান্না মিয়ার সভাপতিত্বে ও নির্বাচনী সমন্বয়ক এ্যাডভোকেট তৌফিক আলী খান কবিরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি আলতাফ হোসেন চৌধুরী এ কথা বলেন। সভায়  জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মাকসুদ আহম্মেদ বায়েজীদ পান্ন্না মিয়া,ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম,সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। আলতাফ হোসেন চৌধুরী আরোও বলেন “নির্বাচীত সরকার ছাড়া দেশ চলেনা, দাতা প্রতিষ্ঠান গুলি অর্থনৈতিক সাহায্য করতে চায়না, যে কারণেই একটি সুন্দর সুষ্ঠু গ্রহন যোগ্য নির্বাচন দরকার।সেটার জন্য প্রথমে দরকার একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন। বিগত সরকার নির্বাচন কমিশন সহ সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছিল।বর্তমানে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে দিল্লীতে মোদী সরকার বিরাট অফিস করে দিয়েছেন, সেখানে বসে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা।সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেব তারা এই নির্বাচনকে বানচালের জন্য প্রার্থীদের হত্যা সহ বিভিন্ন নাশকতা মূলক কাজ করার পরিকল্পনা করে,যারই অংশ হিসেবে ওসমান হাদী হত্যাকান্ড,খুলনার নাশকতা,চট্রগ্রামের নাশকতার ঘটনা ঘটানো হয়েছে ,-এগুলি কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় এগুলি সবই পরিকল্পিত, এদের বিষয়ে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। আলতাফ হোসেন চৌধুরী বর্তমান ভোটের বিষয়ে উল্লেখ করে বলেন “ বিভিন্ন জরিপে বিএনপি অনেক এগিয়ে আছে, কিন্তু আমাদের নেতা তারেক রহমান পটপরিবর্তনের পরই বলেছেন আগামী নির্বাচন সহজ হবে না। কারণ নানামুখি ষড়যন্ত্র হচ্ছে, একটি দল  ৪ কোটি মাস্ক ও ২ কোটি বোরকা ক্রয় করেছে নির্বাচনে জাল ভোট দিতে। কেউ যেন আগামী নির্বাচনে মাস্ক পড়ে মহিলা ভোট কেন্দ্রে কেউ জাল ভোট না দিতে পারে সেদিকে আমাদের বোনদের সজাগ থাকতে হবে। আপনারা ফজরের নামাজের পরে ভাগ ভাগ করে ভোটকেন্দ্রে  যাবেন,  ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত  ভোটকেন্দ্র ছেড়ে যাবেন না’। জনসভা শেষে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি বিশাল নির্বাচনী মিছিল শহর প্রদক্ষিন করে। এদিকে আজ শেষ নির্বাচনী জনসভা ও মিছিল করে পটুয়াখালী জেলা শহর এক মিছিলের নগরীতে রুপ নেয়,শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার নর-নারী মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থল উপস্থিত হলে এক বিশাল জনসমুদ্রে রুপ নেয়।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে