ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বাজার তদারকি কার্যক্রমে বাঁধা প্রদান করা হয়েছে। সেই সাথে ভোক্তার সহকারী পরিচালক আবদুল জলিল মিয়াকে করা হয়েছে অপদস্থ। ঢাকার মৌলভীবাজারে ঘটেছে এ ঘটনা। ওই অসাধু ব্যবসায়ি নেতার বিচার চেয়ে সারা দেশের ন্যায় ২২ ফেব্রুয়ারি নীলফামারীতেও ক্যাবের পক্ষ থেকে করা হয় মানববন্ধন। দেয়া হয় জেলা প্রশাসককে স্বারকলিপি। মানববন্ধনে ঘটনার সাথে জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি করা হয়েছে। কনজ্যুমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব),নীলফামারী জেলা শাখার আয়োজনে শহরের চৌরঙ্গীমোড়ে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কনজ্যুমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক আল আমিন এতে সভাপতিত্ব করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন,সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম, জেলা ক্যাব এর প্রচার সম্পাদক আব্দুর রশিদ, এম আর আলী টুটুল,শাহাজান আলী,ডিমলা উপজেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক কে এম ফারুক হোসেন, জেলা ক্যাবের সদস্য আজহারুল ইসলাম রাজাসহ অনেকে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চলমান বাজার মনিটরিং কার্যক্রমে বাধা প্রদান, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনা। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আইনের শাসনের পরিপন্থী এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ বিরোধী। অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তাই বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা জরুরি। যারা সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান করেছে তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। তারা বলেন ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং নিরাপদ বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রশাসন ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান এর হাতে স্বারকলিপি তুলে দিচ্ছেন ক্যাব জেলা শাখার সভাপতি আল আমিন ও সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল ইসলাম।