পরিবেশ ক্ষতিকারক ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে ফেলে বনজ ও ফলদ গাছ লাগাতে হবে : প্রতিমন্ত্রী

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
| আপডেট: ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম | প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম
পরিবেশ ক্ষতিকারক ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে ফেলে বনজ ও ফলদ গাছ লাগাতে হবে : প্রতিমন্ত্রী

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি বলেছেন, ইউক্যালিপ্টাস গাছ আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এই গাছ প্রচুর পানি শোষণ করে। তাই ইউক্যালিপ্টাস গাছ আর লাগাবেন না। এখন থেকে ফলদ, ঔষধি ও কাঠের গাছ লাগাবেন। এ সময় তিনি ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে ফেলার আহ্বান জানান। সোমবার (১৩ এপ্রিল) পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের গেদিপাড়া এলাকায় ছেতনাই নদী খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা ছেতনাই নদী খননের উদ্যোগ নিয়েছি। একসময় এই নদীতে পানি ও মাছ ছিল। আমাদের অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষের চাষাবাদসহ নানা চাহিদা পূরণ করত ছেতনাই নদী। বর্তমানে এটি মরা খালে পরিনতি হয়েছে। সময়ের বিবর্তনে সেই খাল আর খাল নেই, নদী আর নদী নেই।তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, জলাশয় ও খাল খনন, পুনঃখনন এবং পুনরুদ্ধার করা হবে। এসব জলাশয় পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ করে বাংলাদেশকে আবারও সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা দেশে পরিণত করা হবে। ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে সবুজায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি শুধু কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তাঁর নেতৃত্বে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ছাড়াও কৃষি, এলজিইডি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর আওতায় নিয়মিত খাল, নদী ও জলাশয় পুনঃখনন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনাও রয়েছে। খালের পাশে মাছ চাষ ও হাঁস পালনের ব্যবস্থা করা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এই নদী খনন কাজে প্রায় এক হাজার শ্রমিক সম্পৃক্ত হবে, যা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাল খননের কাজে ৬০ শতাংশ শ্রমিক, কৃষক ও শিক্ষার্থীকে যুক্ত করা হবে। এতে একদিকে যেমন মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়বে, অন্যদিকে কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ আসাদ সহ বিএনপির দলীয় নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে