নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় টানা বৃষ্টিপাতের কারণে বোরো আমন ফসলের পাকা ধান ক্ষেতে জলবদ্ধতার কারণে চলতি মৌসুমে ফসলি জমিতে ধানকাটার মেশিন ও শ্রমিক নেই দিশেহারা কৃষকেরা। একদিকে সরকারি আগাম বন্যার সর্তকতা অন্যদিকে শ্রমিকহীন দিশেহারা কৃষক! টানা বৃষ্টিপাতের কারণে কৃষকের পাকা ফসলি জমিতে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ধান কাঁটার কোন শ্রমিক নেই, নেই কোন হার্ভেস্টার মেশিন। নেই উপজেলার ৮ ইউনিয়নে কৃষিবিভাগের কোন উদ্যোগ। নিত্য আবহাওয়া বার্তা জানায় আকাশের অবস্থা মেঘাচ্ছন্ন থাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আগাম বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে। এমন অবস্থায় পাকা ধান পানিতে পঁচে বা তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় কৃষকেরা দিশেহারা। স্থানীয় কৃষকেরা গভীর উদ্বেগের সহিত জানায়, বছরে একটিমাত্র সোনার ফসল ঘরে তুলতে পারছিনা ধান কাঁটার মেশিন ও লোকের অভাবে। অল্প সল্প যদিও দু'একটা শ্রমিক পাওয়া যায় প্রতি কাঠায় তাদের হাজার থেকে বারোশত টাকা দিতে হয়। এভাবে কি সম্ভব ফসল ঘরে তোলা? জমিজমা করে কি লাভ, এত কষ্টের ফসল বিফলে যাবে। আমাদের এই দুঃসময়ে উপজেলা প্রশাসন কৃষি বিভাগের কাছে উত্থাহ আহবান-আমাদের পাকা ফসলি জমিগুলো বাঁচান, রক্ষা করুন। সরকারিভাবে কিছু একটার উদ্যেগ নিন। ধান কাঁটার মেশিন মাঠে ছাড়ুন,তাগিদ দিন। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে আমরা মাইকিং প্রচারণা করেছি। এলাকার হার্ভেস্টার মেশিনগুলো ভাটি অঞ্চলে চলে যাওয়ায় উপজেলার কৃষকেরা বেকায়দায় পড়েছে, শিঘ্রই ইউনিয়ন ভিত্তিক পাকা ফসলি জমিতে মেশিন নামানোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।