প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি একক প্রার্থী সিলেকশন করবে। দলের মধ্যে থেকে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হতে পারবে না। বিএনপি করলে অবশ্যই দলের কেন্দ্রিয় কমান্ডের সিদ্ধান্ত মানতে হবে। রোববার দুপরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারী কর্মকর্তা. বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের প্রধান, মুক্তিযোদ্ধা, গনমাধ্যমকর্মী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক সংগঠনের নেতবৃন্দদের সাথে মতবিনিময়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। রাশেদ খান আরো বলেন, সরকারী অফিসের কর্মকর্তাগন সেবা প্রদানে সাধারন মানুষের সাথে অসদাচরন বা ঘুষ দাবীর অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি এ উপজেলার সকল সরকারী দপ্তরের গেটে অভিযোগ বক্্র স্থাপন করা হবে বলে ইউএনও কে নির্দেশনা দেন। তবে, কেউ যদি হিংসার বশবর্তী হয়ে মিথ্যা অভিযোগের আশ্রয় নেয়. তাহলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারীভাবে নিজ জেলায় সফরের অংশ হিসাবে মতবিনিময়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা নাহিদের সভাপতিত্বে রাশেদ খান আরো বলেন, এলাকার উন্নয়নে বিরোধীদল স্থানীয় জামায়াতের সাথে তাদের কোন বিরোধ থাকবে না। আইনশৃংখলার উন্নয়নসহ মাদক নির্মূলে দলমত নির্বিশেষে সকলেই একজোট হয়ে কাজ করবেন। তিনি বলেন, এ আসনে তাকে ধানের শীষের প্রার্থী করা হলেও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও গ্রুপিং বিভেদে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। এতে স্থানীয় বিএনপি সাংগাঠনিক অবস্থাও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তিনি বলেন, যে সকল নেতা কর্মী ভ’ল করেছিলেন তারা ফিরে এসে দলের জন্য কাজ করবেন। দল গোছাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে নির্দেশনা দিয়েছেন।
মতবিনিময়ে আরো বক্তব্য রাখেন, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান ও কালীগঞ্জ থানার ওসি কবির হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও সভাতে মোবারকগঞ্জ চিনিকলের এমডি আ ন ম জোবায়ের, বিএনপি নেতা তবিবুর রহমান মিনি, ইসরাইল হোসেন, হারুন মোল্ল্যা, মশিয়ার রহমান ও যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।