রাজশাহীর তানোর উপজেলার চৌবাড়িয়া-মালশিরা উচ্চ বিদ্যালয়ের জায়গা জবর-দখল চেস্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ চৌবাড়িয়া-দেলুয়াবাড়ি রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন থেকে জানা যায়, ১৯৬৫ সালে মালশিরা উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপিত হয়। এরপর থেকেই স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই জায়গা শান্তিপূর্ণ ভাব ভোগদখল করে আসছেন। যার খতিয়ান নম্বর- ১। জেএল নম্বর- ১৬৩। মৌজা- চৌবাড়িয়া। দাগ নম্বর- ৪৬৫। শ্রেণি স্কুল। পরিমাণ ২০ শতক। পরে ১৯৬২ ও ৭২ সালে স্কুলের নামে এসব জমি রেকর্ডভুক্ত হয়।
এদিকে, মান্দা উপজেলার ভারশো ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের আব্দুলের দুই পুত্র বেলাল এবং হোসেন আলী পৈতিক সূত্রে এসব জমির মালিক দাবি করে আদালতে মামলা করেন।
২০২৬ সালের ২৪ মে আদালত থেকে তারা রায় পেয়েছেন বলে জানা গেছে। এমতাবস্থায় স্কুল কর্তৃপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করেছেন যা এখানো বিচারাধীন রয়েছে।
এবিষয়ে স্কুলের শিক্ষকগণ বলেন, হোসেনপুর গ্রামের আব্দুল ও তার দুই পুত্র বেলাল এবং হোসেন আলী বহিরাগত ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে ২০ আগস্ট গভীর রাতে টিনের বেড়া দিয়ে ঘর নির্মাণ করে। অবস্থায় গত ২৩ আগস্ট স্থানীয় অভিভাবক মহল ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা ওই অবৈধ ঘর ভেঙে দেয়।
এবিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দিন বলেন, আব্দুল জাল দলিল সৃষ্টি করে স্কুলের জায়গা জবর-দখলের চেস্টা করছেন। এনিয়ে তারা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এব্যাপারে জানতে চাইলে বেলাল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পৈতিক সূত্রে ওই জমি তাদের।
তারা আদালত থেকে রায় পেয়েছেন। কিন্তু স্কুলের লোকজন এলাকার কিছু নেশাখোরদের নিয়ে তাদের দোকান ভাঙচুর ও প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছেন।