বাঘায় মহিলা আ.লীগের সভানেত্রী লতার চেক জালিয়াতি মামলায় ৬ মাসের কারাদন্ড

এফএনএস (আমানুল হক আমান; বাঘা, রাজশাহী) : | প্রকাশ: ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম
বাঘায় মহিলা আ.লীগের সভানেত্রী লতার চেক জালিয়াতি মামলায় ৬ মাসের কারাদন্ড

রাজশাহীর বাঘায় মহিলা আ.লীগের সভানেত্রী ফাতেমা খাতুন লতার চেক জালিয়াতি মামলায় ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজশাহীর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মামুনুর রশিদ এই রায় ঘোষণা করেন।

এছাড়া ফাতেমা খাতুন লতা উপজেলা পরিষদের সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান ও বাঘা পৌরসভার নারায়নপুর গ্রামের বাসিন্দা। কারাদন্ডপ্রাপ্ত ফাতেমা খাতুন লতা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি ফাতেমা খাতুন লতা  তাঁর নিকটতম আত্মীয় বাঘা উপজেলার আমোদপুর গ্রামের নুরুজ্জামানের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা ধার নেন। এর বিপরীতে তিনি একটি চেক দেন। নির্ধারিত সময়ে চেকের টাকা পরিশোধ না হওয়ায় নুরুজ্জামান বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ২১৩০/২০২৪।

প্রায় আড়াই বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। ২৫ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মমিনুল ইসলাম বলেন, মামলা বিচার চলাকালে ফাতেমা খাতুন লতা নিয়মিত আদালতে হাজির হননি। তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া ওয়ারেন্ট থাকা অবস্থায় তিনি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরপর ছয়টি ধার্য তারিখে তিনি আদালতে হাজির হননি।  পরে মামলার শুনানি ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত তাকে ৬ মাসের করাদন্ড দেন।

ফাতেমা খাতুন লতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে আরো দুটি চেক প্রতারণা  মামলা রয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ মার্চ  নিলুফা ইয়াসমিনের দায়ের করা মামলায় রাজশাহী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ফাতেমা খাতুন লতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে ১০ দিন হাজতবাস শেষে আপিলের মাধ্যমে তিনি জামিনে মুক্ত হন।

নিলুফা ইয়াসমিনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাম্মি হোসেন বলেন, ফাতেমা খাতুন লতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়া ও চেক সংক্রান্ত একটি মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায় ২০ লাখ টাকা পাওনার দাবি করা হয়েছে। একই ঘটনায় নিম্ন আদালতে ১৫ লাখ টাকার আরও একটি মামলা রয়েছে বলে এই মামলার বাদী মামুন হোসেন জানান।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন মিস অরিন এবং বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মমিনুল ইসলাম।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে