চলমান সংঘাতের মধ্যেই ইরানে আবারও বড় পরিসরে সামরিক হামলা চালানো হবে কি না, তা নিয়ে তিনি একটি ‘বড় সিদ্ধান্ত’ নেয়ার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মাসের পর মাস চলা যুদ্ধ কীভাবে শেষ করা যায়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনার মধ্যেই এমন মন্তব্য করলেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ বরাতে আলজাজিরা ও দ্য টাইমস অব ইসরায়েল সংবাদ প্রকাশ করেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘সামনে আমার একটি বড় সিদ্ধান্ত আসছে। আমি কি সেখানে গিয়ে ওদের (ইরানি শাসকগোষ্ঠী) নিশ্চিহ্ন করে দেব, নাকি দেব না? এটি একটি বড় সিদ্ধান্ত। আমার ক্ষেত্রে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে।’
আগামী সপ্তাহে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয়টি দেশের নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক করার কথা রয়েছে। ওই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার আগেই ট্রাম্পের এই মন্তব্য সামনে এল।
এদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের জাতীয় গড় দাম ৪ ডলার ৩১ সেন্ট থেকে বেড়ে ৪ ডলার ৪৩ সেন্টে পৌঁছেছে। আর এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিজেলের দাম বেড়েছে ৪২ সেন্ট। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানির এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
তবে নর্থ ক্যারোলাইনায় এক নির্বাচনি সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধের কৌশলগত লক্ষ্যের তুলনায় তেলের এই বাড়তি দাম খুব ‘সামান্য মূল্য’। সমর্থকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের এই অস্বাভাবিক দাম দ্রুতই রকেটের মতো উল্টো গতিতে নিচে নেমে আসবে।