বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা ঈশ্বরদী শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ৯০'র স্বৈরাচার বিরোধী গণ আন্দোলনের মহানায়ক ও পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জিয়াউল হক সন্টু সরদারের সভাপতিত্বে ও পৌর বিএনপি'র সদস্য সচিব ইমরুল কায়েস সুমনের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির আহবায়ক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশসহ নবগঠিত কমিটির সদস্যবৃন্দ।
নবগঠিত উপজেলা কমিটি ৪৮ সদস্য বিশিষ্ট এবং পৌর কমিটিতে সদস্য রয়েছে ৩৭ জন। প্রধান অতিথি বলেন, ঈশ্বরদীতে দলের বিরুদ্ধে যারা জাতীয় নির্বাচন করেছে বিএনপির কমিটিতে তাদের ঠাঁই হবেনা। এরা বিএনপি মনোনীত দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপি এবং দলের সাথে বেইমানি করেছে। এদেরকে রাজনৈতিক ভাবে উচিত শিক্ষা দিতে হবে। দলের বিপক্ষে যারা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে এদেরকে চিহ্নিত করে দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে। দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা এবং দলের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, দখল বাজি এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতে দেয়া হবেনা। ঈশ্বরদীতে জামায়াতের প্রার্থী ভোট চুরি করে নির্বাচিত হয়েছে। এই জামায়াত কাদের সহযোগিতায় নির্বাচিত হয়েছে ঈশ্বরদীবাসী তা জানেন।
তিনি আরও বলেন, জাকারিয়া পিন্টুর চার ভাই চার সংগঠনের বড় নেতা ছিলেন। দলের বিপক্ষে কাজ না করার কারণে পিন্টুসহ ওরা চার ভাই দল থেকে বহিষ্কার হয়েছে। ওরা দলের ১১ টি নির্বাচনে বিএনপির বিপক্ষে কাজ করেছে। দলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। ঈশ্বরদীতে আর হত্যার রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।
প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, ঈশ্বরদীতে বিএনপি থেকে বহিস্কৃতরা জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের ছবি লাগিয়ে কোন পোস্টার, ব্যানার করতে পারবে না। বহিষ্কৃতরা দলের কোন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবে না। জোর করে কিছু করতে চাইলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওদেরকে প্রতিহত করতে হবে। তা না হলে আপনাদের বিরুদ্ধে দলের হাই কমান্ডকে অবহিত করা হবে।