আপনারা জানেন ৭ দফা দাবি আদায়ে ১১ দলের এটি তৃতীয় লং মার্চ। আমাদের দাবি খুব স্পষ্ট, আমরা জনগনের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। আমাদের মূল দাবি হচ্ছে গনভোটে যে ৭০ ভাগ মানুষ রায় দিয়েছে অবশ্যই এটা বাস্তবায়ন করতে হবে। এই দাবিটি বাস্তবায়ন হলে বাকি ৬ দফা অটোমেটিকেলি বাস্তবায়ন হয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। সরকার যদি এই এক দফা দাবির প্রতি সম্মান দেখায়, জনগনের রায়ের প্রতি ভোটের প্রতি সম্মান দেখায়, তাহলে সম্মানিত হবে। কিন্তু যদি জনগনের রায়কে অগ্রাহ্য করে তাহলে সরকার শুধু অপমানিত হবেনা, সরকারকে এর চরম মূল্য দিতে হবে। আমরা মহান আল্লাহর উপর ভরসা করে বলছি, ইনশাআল্লাহ জনগনের এই দাবি আদায় হবে, এবং ইনশাআল্লাহ এই দাবি আদায় করে আমরা ঘরে ফিরবো, ইনশাআল্লাহ।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৯.৫০ মিনিটে মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতু উত্তর থানার টোল প্লাজার সংলগ্ন এক পথ সভায় উপস্থিত নেতা কর্মীদের সামনে এ বক্তব্য প্রদান করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান। এসময় উপস্থিত শত শত নেতা কর্মী তাকে বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে ও হাত নাড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান। মুন্সিগঞ্জ জেলার ও সকল উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে সকাল ৮টার দিকে লংমার্চের বহর খুলনা, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। পথে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর ও ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের মুড়ালীর মোড় এবং ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভা করার কর্মসূচি রয়েছে।
লংমার্চের শেষ গন্তব্য কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম। সেখানে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পথে বিভিন্ন স্থানে গণজমায়েতেও ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বক্তব্য দেবেন। উল্লেখ্য, দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম অভিমুখে প্রথম এবং ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চ করে ১১ দলীয় ঐক্য।