চৈত্রের দাবদাহে অস্বস্তি যেন বেড়েই চলছে। বৈশাখে যে কী অবস্থা হবে, তা ভেবেই কপালে ভাঁজ পড়ছে অনকের। এই সুযোগে বাজারে বাড়ছে ডাবের দাম। বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, গরমে ডাবের পানি খেলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি এড়ানো যায়। সত্যিই কি তাই?
ডাবের পানির মধ্যে পটাসিয়াম, সোডিয়ামের মতো মিনারেল রয়েছে। এটি গরমকালে দেহে ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণ করে। পুষ্টিবিদদের মতে, গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে খনিজ বেরিয়ে যায়। সেই খনিজের ঘাটতি পূরণ করা যায় ডাবের পানি খেয়ে। হাইড্রেশনের পাশাপাশি গরমকালে পেটের গণ্ডগোল থেকেও মুক্তি দেয় ডাবের পানি।
গরমে শারীরিক অস্বস্তি এড়াতে ডাবের পানি খেতেই পারেন। কিন্তু কোন সময়ে খাবেন, এটাও ভীষণ জরুরি। পুষ্টিবিদদের মতে, ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চের মাঝে ডাবের পানি খেলে ভালো উপকার মেলে। আবার ওয়ার্কআউটের পর ডাবের পানি খেতে পারেন।’ ডাবের পানিতে ক্যালসিয়াম রয়েছে। তাই শরীরচর্চা করার পর এনার্জি ড্রিংক্সের বদলে ডাবের পানি পান করা অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।
প্রতিদিন একটা করে কচি ডাবের পানি খেলে পকেটে টান পড়তে বাধ্য। ডাবের পানি খেলে ভালো, কিন্তু না খেলেও কোনো বিশেষ ক্ষতি হবে না। ডাবের পানির মধ্যে মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কিন্তু শুধু ডাবের পানি খেলেই যে সুস্থ থাকা যাবে, এমনটাও নয়।
ডাবের পানি যেমন ইলেক্ট্রোলাইট থাকে, তেমন শর্করাও রয়েছে। যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনির রোগ রয়েছে, তারা বুঝতে পারেন না এই পানীয় খাবেন কি না।
চিকিসকদের মতে, ডাবের পানি যে পরিমাণ সোডিয়াম-পটাশিয়াম বা শর্করা রয়েছে, যা খুব বেশি প্রভাব ফেলে না প্রেশার-সুগার রোগীদের ওপর। তাই মাঝেমধ্যে ডাবের পানি খাওয়ায় কোনো ক্ষতি নেই। কিন্তু অতিরিক্ত কোনো খাবারই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।