ভারত থেকে আমদানি অব্যাহত থাকা এবং দেশী নতুন পেঁয়াজ সরবরাহ বাড়ায় দিনাজপুরের হিলিতে পণ্যটির দাম কমেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে স্থানীয় বাজারে দেশী পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমেছে। তবে দাম কম হলেও মান ভালো না থাকায় ভারতীয় পেঁয়াজের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ কম বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশী মুড়িকাটা পেঁয়াজ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫০ টাকা। অন্যদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ বর্তমানে ৩০ টাকা কেজিতে পাওয়া গেলেও অধিকাংশ পেঁয়াজে কলি গজানোয় এর চাহিদা কম। সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় অধিকাংশ দোকানেই এখন দেশী পেঁয়াজ প্রাধান্য পাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন করে আমদানির অনুমতি (আইপি) না দিলেও পুরনো আইপির বিপরীতে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি চলবে। ফলে বাজারে আমদানীকৃত পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মোকামে নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ সরবরাহ গত সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা আবুল হাসনাত জানান, মোকামগুলোয় প্রতিদিন পেঁয়াজের দাম কমছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কৃষকরা ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ উত্তোলন শুরু করায় বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এখন বেশি। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশী পেঁয়াজের ভরা মৌসুম চলায় সামনের দিনে ভারত থেকে আমদানি বন্ধ হলেও বাজারে পণ্যটির দাম বাড়ার আশঙ্কা কম।