দৌলতপুরে ফিলিং স্টেশনে

তেল নিতে গিয়ে গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি, ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি

এফএনএস (মোঃ সাইফুল ইসলাম শাহিন; দৌলতপুর, কুষ্টিয়া) : | প্রকাশ: ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
তেল নিতে গিয়ে গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি, ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লার দর্গায় মেসার্স এম.রফিক ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে চরম হতাশা ও ভোগান্তি যার শেষ নেই। জানাগেছে, ৩ এপ্রিল শুক্রবার ভোর পাঁচটা থেকে এলাকার তেল ক্রেতারা তাদের গাড়ী নিয়ে পাম্পে জড়ো হয়। তারা প্রকৃত ক্রেতা, তাদের গাড়ির কাগজপত্র হেলমেট নিয়ে পাম্পে শৃঙ্খলার সাথে তেল ক্রয় করতে গেলে, কিছু এলাকার উশৃংখল যুবক পাম্পের এরিয়া দখল করে নেয় এবং তারা নিজেদের মধ্যে তেল ভাগাভাগি করে নিতে থাকে। এ সময় প্রশাসনের লোকজন থাকলেও তারা ছিল নীরব। এখানে কোন নিয়ম বা আইন শৃঙ্খলা মানা হয়নি। গাড়ির কাগজপত্র তো দূরের কথা ন্যূনতম লাইন নিয়ে শৃঙ্খলার সাথে তেল নিতে পারেনি এলাকার সাধারণ মানুষ। এ নিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার ভূমি দৌলতপুর ও পুলিশের উপস্থিতিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে, গাড়ির কোন কাগজপত্র নেই, ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, কনটিনিয়ার এ ভর্তি করে তেল দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানায়, প্রতিদিন যারা তেল নিতে আসে, আজও তারা তেল নিতে এসেছে। কারণ এই সকল গাড়ির মালিক তেল নিয়ে প্রতিনিয়ত বাইরে ব্যবসা করছে। সরকারি প্রজ্ঞাপনে ”ডাক্তার, প্রশাসন ও সাংবাদিক”দের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল দেয়ার কথা থাকলেও  তারা ৬/৭ ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকে ফিরে আসতে হচ্ছে। দৌলতপুরবাসী একটা শৃংখলার ভিত্তিতে তেল বিক্রি করার জোর দাবী জানাচ্ছে।

এলাকাবাসী জানায়,অসাধু ব্যবসায়ীদের কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি হওয়া দরকার। যথাযথ আইনের বাস্তবায়ন হলে দেশ এগিয়ে যাবে। কিন্তু একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কি করে টোকাইরা তেল নিয়ে বের হয়ে যায়, তাঁদের কোন গাড়ির কাগজপত্র নেই। প্রজ্ঞাপন জারি হলেও সেই প্রজ্ঞাপন মানছে না প্রশাসন। এগুলো বড় কষ্টের ও দুঃখের।  একজন বলেন, ভোর ছয়টায় গিয়েছি, সাড়ে ১১ টায় ফিরে এসেছি, নিঃস্ব হস্তে। আরেকটু হলে মারা যেতাম।পুলিশের সামনে নেতারা তেল নিচ্ছে জোর করে। অথচ রোদের মধ্যে লাইনে থেকে তেল পেলাম না,আর এ সমস্ত কাজ তো সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায়ই হচ্ছে ূ ইতিপুর্বে ঘোষনা করাও হয়েছে যে, যারা এই অসদুপায় অবলম্বন করবে বা তেল মজুদ করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে বলে জানান। এক ক্রেতা জানায়, সকাল ৬ টাই গিয়েছি ৪:৩০ বাসায় আসলাম, তাদের মেশিন নাকি নষ্ট হয়ে গেছে। অপেক্ষা করে চলে আসলাম।  আবার শোনা যায় রাতে তেল পাওয়া যায়। এলাকার মানুয়ের দাবী শৃংখলার সাথে তেল গ্রহকদের কাছে পৌছাবে। বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি  আর্কষণ করেছে এলাকাবাসী।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে