বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আলোচনা শুরু হয়েছে। দাকোপে সম্ভব্য ৫ প্রার্থী প্রচারনায়। জামায়াত মাঠে নেই। চারিপাশে নদী বেষ্টিত সুন্দরবনের কোল ঘেষা উপজেলা দাকোপ। সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় অধ্যুষিত দাকোপ বরাবরই আওয়ামীলীগের দূর্গ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত। গত ৫ জুন ২০২৪ অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এখানে বিজয়ী হয়েছিলেন দাকোপ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আবুল হোসেন। সংসদ নির্বাচনের পর এবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও প্রাপ্ত সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথম বারের মত বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর। সে লক্ষ্যে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশায় বিএনপির ৫ নেতা নির্বাচনী প্রচারনায় মাঠে নেমেছেন। ৯ টি ইউনিয়ন এবং ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত দাকোপ উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৮ জন। যার মধ্যে পুরুষ ৬৮ হাজার ৭৯১ এবং নারী ৬৮ হাজার ৮২৭ জন। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে যাদের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে তারা হলেন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শামিম কবির, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এবং বর্তমান জেলা সদস্য আশরাফুল আলম নান্নু, খুলনা জেলা সদস্য এবং চালনা পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ শাকিল আহমেদ দিলু, জেলা বিএনপির সদস্য জি এম রফিকুল ইসলাম এবং দাকোপ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচীব আব্দুল মান্নান খান। তাদের মধ্যে আশরাফুল আলম নান্নু, জি এম রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুল মান্নান খান ব্যাপক গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপির বাইরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে গনসংযোগে মাঠে আছেন খুলনা জেলা সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ এম এম রুহুলামিন। তবে সংসদের প্রধান বিরোধীদল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বা তাদের সমমনা জোটের পক্ষে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসাবে কেউ এখনো মাঠে নামেনি। এ ব্যাপারে দাকোপ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে দলীয়ভাবে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। অপরদিকে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী হিসাবে এখন পর্যন্ত কাউকে গনসংযোগের মাঠে দেখা মেলেনি।