সারা দেশের ন্যায় নওগাঁর ধামইরহাটে দিন দিন জ্বালানি তেলের চাপ বেড়েই যাচ্ছে। তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকরা আগের দিন মধ্য রাত থেকে সড়কের ধারে জমান লম্বা সারি। ৫-৬ ঘন্টা অপেক্ষা করার পর চালকরা তাদের বাইকে পেট্রোল পেয়ে কষ্টের কথা ভুলে গিয়ে আনন্দে চলে যান নিজ গন্তব্যে। যানজট কমাতে ও শৃঙ্খলা রক্ষায় চালকদের ড্রাইভিং, রেজিষ্ট্রেশন সহ হিলমেট পরিচিতদেরই কেবল তেল প্রদান করা হচ্ছে। এদিকে জ্বালানি তেল যাতে পাচার করতে না পারে সে লক্ষে সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা এন.এস.আই, বিজিবিসহ সরকারের দায়িত্বশীল গোয়েন্দা বাহিনী ধামইরহাটসহ নওগাঁর বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা গুলোতে কড়া নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। বিজিবি সদস্য ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথভাবে মাঠ পর্যায়ে বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেল যেন কেউ অবৈধভাবে মজুদ ও পাচার না করতে পারে সে লক্ষে টহল জোরদার করা করা হয়েছে। ধামইরহাট উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও প্রশান্ত চক্রবর্তী বলেন, ‘ধামইরহাটে দুটি পাম্পে পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন বিতরণ সুষ্ঠুভাবে করার লক্ষে জ্বালানি মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে, কাউকেই কোন অবৈধ সুবিধা পাম্প মালিকরা যাতে দিতে না পারে সে লক্ষে প্রশাসনের পাশাপাশি সার্বক্ষনিক থানা পুলিশ ও ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা আছে, ট্যাগ অফিসারগণ প্রশাসনের কড়া তদারকিতে তাদের নির্ঘুম দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আর সীমান্তে তেল পাচারের বা অবৈধ মজুদের কোন সুযোগই নেই।