লালমোহনে জামে মসজিদ কমিটির সভাপতির সংবাদ সম্মেলন

এফএনএস (মোঃ শহিদুল ইসলাম; লালমোহন, ভোলা) : | প্রকাশ: ৩ মে, ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
লালমোহনে জামে মসজিদ কমিটির সভাপতির সংবাদ সম্মেলন

ভোলার লালমোহন উপজেলার উত্তর বাজার বাইতুর রেদওয়ান জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ফিরোজের নেতৃত্বে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৩ মে) বেলা আড়াইটা লালমোহন প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ফিরোজ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২ মে উত্তর বাজার বাইতুর রেদওয়ান জামে মসজিদের বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ এনে বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। ওই সংবাদে মুসল্লিদের পক্ষে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক ব্যক্তি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে উল্লেখ করা হলেও, বাস্তবে এমন কোনো অভিযোগকারীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি। এ ধরনের সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান মসজিদ কমিটি গত ২৩ আগস্ট ২০২৫ সালে পূর্বের কমিটির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে। দায়িত্ব গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী কমিটি চারটি ব্যাংক হিসাবে মোট ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা হস্তান্তর করে।

তিনি দাবি করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর মসজিদটিকে জরাজীর্ণ অবস্থায় পাওয়া যায়। ছাদ থেকে পানি পড়ায় দ্বিতীয় তলা নামাজের অনুপযোগী ছিল। অযুখানা ও টয়লেট ব্যবহারের অনুপযুক্ত অবস্থায় ছিল এবং মসজিদের কার্পেটও অপর্যাপ্ত ছিল।

তিনি আরও বলেন, পূর্বে টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে তিনজনের স্বাক্ষরের বিধান থাকলেও বর্তমান কমিটি রেজুলেশনের মাধ্যমে তা পরিবর্তন করে সভাপতিসহ চারজনের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করে। এছাড়া নির্ধারিত ফরম্যাটের মাধ্যমে সকল সদস্যকে অবহিত করে স্বাক্ষরের ভিত্তিতে টাকা উত্তোলন করা হয়।

মসজিদের উন্নয়ন কাজ সম্পর্কে তিনি বলেন, রং করা, টাইলস বসানো, মেরামত কাজ, গিজার স্থাপন এবং কার্পেট ক্রয়সহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম কমিটির সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপ-কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে।

সেক্রেটারির রুম দখলের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেক্রেটারি কোনো রুম দখল করেননি। বরং মসজিদকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য তিনি ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি আরও বলেন, কমিটির সদস্য নুরে আলম মনজু একটি রুম ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছেন এবং নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করছেন। এছাড়া ক্যাশিয়ারও একটি রুম ভাড়া নিয়েছেন এবং বর্তমানে তার দুই মাসের ভাড়া বকেয়া রয়েছে। সেক্রেটারির বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য অভিযোগকে ‘নিম্নমানের ও মানহানিকর’উল্লেখ করে তিনি এসব বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে