নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের মাঝপথেই নাহিদ রানাকে পিএসএলের ফাইনালের জন্য চেয়েছিল পেশোয়ার জালমি। বিসিবির বর্তমান প্রধান তার অনুরোধ রেখে বাংলাদেশি পেসারকে ছাড়পত্র দেন। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পেশোয়ারকে চ্যাম্পিয়ন করলেন নাহিদ। তার দারুণ বোলিংয়ে অল্পতে হায়দরাবাদ কিংসম্যানকে আটকে রেখে ৫ উইকেটে জিতল তার দল। ৯ বছর অপেক্ষার পর দ্বিতীয় শিরোপার দেখা পেল পেশোয়ার। ছোট লক্ষ্যে নেমে শুরুতে ধাক্কা খায় পেশোয়ার। প্রথম ওভারে মোহাম্মদ হারিস ও বাবর আজমকে এক বলের বিরতি দিয়ে ফেরান মোহাম্মদ আলি। দারুণ ফর্মে থাকা বাবর গোল্ডেন ডাক মারেন। হারিস করেন ৬ রান। ৭ রানে দুই উইকেট পড়ার পর রানের গতি বাড়াতে গিয়ে ফের হোঁচট খায় পেশোয়ার। পাওয়ার প্লেতেই ৭ রানের ব্যবধানে কুশল মেন্ডিস ও মাইকেল ব্রেসওয়েলকে হারায় তারা। এরপর এরন হার্ডি ও আব্দুল সামাদের অপরাজিত জুটিতে জয় দেখছিল পেশোয়ার। কিন্তু সামাদকে ৪৮ রানে ফিরিয়ে ৮৫ রানের জুটি ভেঙে দেন আলি। ফারহান ইউসুফ চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন। ১৫.২ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩০ রান করে পেশোয়ার। হার্ডি ৩৯ বলে ৯ চারে ৫৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। এর আগে ভালো শুরুর পরও বড় রান করতে পারেনি হায়দরাবাদ কিংসম্যান। সাইয়ুম আইয়ুবের ব্যাটে যে শক্ত ভিত পেয়েছিল দল, সেটা কেউই কাজে লাগাতে পারেনি। মিডল অর্ডার ব্যর্থতায় দেড়শ রানের আগেই অলআউট মার্নাস ল্যাবুশেনের দল। লাহোরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৮ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১২৯ রান করে হায়দরাবাদ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন সাইয়ুম। নাহিদ রানা ২২ রানে শিকার করেছেন দুই উইকেট। শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন মাজ সাদাকাত। ৬ বলে ১১ রান করে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দলেও উইকেটে থিতু হতে পারেননি তিনি। আরেক ওপেনার ল্যাবুশেন করেছেন ১২ বলে ২০। তিনে নেমে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন সাইয়ুম। ৪২ বলে করেছেন ব্যক্তিগত ফিফটি। তবে কেউই তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি। ফলে এক প্রান্তে সাইয়ুম দারুণ ব্যাটিং করলেও আরেক প্রান্তে ছিল ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল। ফলে ১২৯ রানেই থেমেছে হায়দরাবাদের ইনিংস। পেশোয়ারের হয়ে ২৭ রানে ৪ উইকেট শিকার করে ইনিংসের সেরা বোলার হার্ডি। এ ছাড়া নাহিদ রানা ২ টি, মোহাম্মদ বাসিত ও সুফিয়ান মুকিম একটি করে উইকেট শিকার করেছেন।